বুধবার, ২৭ মে ২০২০, ০৩:১৪ পূর্বাহ্ন

নোটিশঃ-
রাজৈর নিউজের ওয়েব সাইটে আপনাকে স্বাগতম নিত্যনতুন সকল সংবাদ পড়তে আমাদের সাথেই থাকুন
সর্বশেষ সংবাদঃ-
শিবচর থেকে ১৫৫০ পিসইয়াবাসহ ০৩ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার করেছে র‌্যাব রাজৈরে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত দুই যুবক,সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন গৃহবধূসহ দুই জন ডেপুটি স্পীকার ফজলে রাব্বীর স্ত্রী আনোয়ারা রাব্বীর মৃত্যুতে জাতীয় সংসদের চীফ হুইপের শোক শিবচরে এক পুলিশ সদস্যর করোনা সনাক্ত, সংস্পর্শর খোজ মিলছে না শিবচরে পদ্মা সেতু দেখতে আসা যুবক মটরসাইকেল উল্টে নিহত ঈদের খরচ বাঁচিয়ে শিবচরে গুচ্ছগ্রাম বাসীদের মাঝে সেমাই ও বিরিয়ানী বিতরন ইউএনওর সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে মাদারীপুরে ৪০ গ্রামে ঈদ-উল ফিতর উদযাপন মুকসুদপুরে চেয়ারম্যানের রাইচ মিল থেকে ৫ জুয়াড়ী আটক রাজৈরে কুমার নদের পাড় থেকে গৃহবধূর লাশ উদ্ধার,পরিবারের দাবি পরিকল্পিত হত্যা,স্বামী আটক রাজৈরে শাজাহান খান এমপির পক্ষ থেকে ঈদ উপহার বিতরণ
মাসিক চাঁদা দিতে অস্বীকার করায়:মাদারীপুরে আবাসিক হোটেল মালিকের চোখ জখম করলো সদর থানার ওসি: হাসপাতালে ভর্তি

মাসিক চাঁদা দিতে অস্বীকার করায়:মাদারীপুরে আবাসিক হোটেল মালিকের চোখ জখম করলো সদর থানার ওসি: হাসপাতালে ভর্তি

oc

add 720x200

বেলাল রিজভীঃমাসিক পনের হাজার টাকা চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় একটি আবাসিক হোটেল মালিককে থানায় নিয়ে শারীরিক ভাবে নির্যাতন করে চোখ জখম করার অভিযোগ উঠেছে মাদারীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সওগাতুল আলমের বিরুদ্ধে। নির্যাতনের শিকার ওই হোটেল মালিক বৃহস্পতিবার রাতে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। হোটেল মালিকের দাবী, শুধু নির্যাতনই নয়, একটি সাজানো মামলা দিয়ে তাকে গ্রেফতারও করেছেন ওসি। পুলিশের এই ন্যাক্কারজনক ঘটনায় উদ্বেগ্ন আবাসিক হোটেল মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দ।

নির্যাতনের শিকার হোটেল মালিক ও একাধিক দায়িত্বশীল সূত্রে জানা যায়, গত ৮ জুলাই সোমবার রাতে মাদারীপুর পৌর শহরের আবাসিক সুমন হোটেলে স্বামী-স্ত্রীর পরিচয়ে রাতে থাকতে আসেন শরীয়তপুর সদর উপজেলার চন্দ্রপুর ইউনিয়নের ছালাম পেদা ও তার শালিকা।ঘটনাটি জেনে ওই রাতেই হোটেল তল্লাশি করতে আসেন মাদারীপুর পুলিশের ডিএসবি শাখার সদস্য শহিদুল ইসলাম। এসময় তিনি দুই জনের কথায় অমিল খুঁজে পান। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই হোটেল মালিক সিরাজ মুন্সিকে আটক করে পুলিশ।

হোটেল মালিক সিরাজ মুন্সি সাংবাদিকদের জানান, ‘পরের দিন সকালে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সওগাতুল আলম আমাকে তার নিজ কক্ষে ডেকে নেয়। তিনি এসময় মাসিক ১৫ হাজার টাকা চাঁদা দাবী করেন। এক পর্যায়ে আমি টাকা দিতে অস্বীকার করলে ওসি এলোপাথারি চড়-থাপ্পর দিতে থাকে। ওসির হাতের আঘাতে আমার চোখের ভিতরে রক্ত জমাট হয়ে যায়। এরপর ওসি দম্পত্তি পরিচয়কারী আমার হোটেলের বোর্ডার সালাম পেদাকে দিয়ে আমার বিরুদ্ধে একটি সাজানো মামলা দিয়ে আদালতে প্রেরণ করেন। বিজ্ঞ আদালত আমাকে বৃহস্পতিবার দুপুরে জামিন দেন। পরে চোখের আঘাত গুরুতর হওয়ায় বৃহস্পতিবার রাতে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি হই।’

তিনি আরো জানান, ‘ওসি মাদারীপুর সদর থানায় গত ১৭ জুলাই যোগদানের পর দুই বার আমাকে তার রুমে ডেকে মাসিক পনের হাজার টাকা চাঁদা দাবী করেছেন। আমি তাকে চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকার করেছি। তিনি তখন থেকেই আমার উপর ক্ষেপে আছে। আমি এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে উপযুক্ত বিচার দাবী করি।’

চোখের আঘারের ব্যাপারে মাদারীপুর সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক আবির হোসেন জানান, ‘চোখের আঘাত বেশি হওয়ায় রোগিকে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি এখান থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে অধিকতর চিকিৎসার জন্যে অন্যত্র যেতে পারেন। তার চোখ ও মুখে বেশ আঘাতের চিহ্নও রয়েছে।’

অন্যদিকে সালাম পেদার সাথে অভিযোগের ব্যাপারে বলেন, ‘আমি কিছুই জানি না। থানার একজন অভিযোগ লিখছে আমি টিপ সই দিয়েছি। আমি মামলা করতে রাজি না। আর হোটেলে একজন পুলিশ পরিচয় আমাদের কাছে টাকা দাবী করেছে।’

নির্যাতনের বিষয়ে সদর থানার ওসি সওগাতুল আলম জানান, ‘আমার সাথে তার দেখাই হয়নি। তাকে শারীরিক নির্যাতনের প্রশ্নই উঠে না। আমার বিরুদ্ধে তিনি মিথ্যে তথ্য দিয়েছেন। অন্যদিকে তার বিরুদ্ধে এক ব্যক্তি অভিযোগ করায় মামলা আমলে নেয়া হয়েছে।’

এব্যাপারে মাদারীপুরের পুলিশ সুপার সুব্রত কুমার হালদার জানান, ‘নির্যাতনের বিষয়টি আমার জানা নেই। যদি ওসি নির্যাতন করে থাকে, তাহলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

Comments

comments

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

add 720x200

Leave a Reply




add 300x600

উন্নয়ন সহযোগীতায়ঃ- সেভেন ইনফো টেক