মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৯, ০৫:২০ অপরাহ্ন

নোটিশঃ-
রাজৈর নিউজের ওয়েব সাইটে আপনাকে স্বাগতম নিত্যনতুন সকল সংবাদ পড়তে আমাদের সাথেই থাকুন
সর্বশেষ সংবাদঃ-
ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান : শিবচরে পেঁয়াজের মূল্য নিয়ন্ত্রণে না আসা পর্যন্ত মনিটরিংয়ের ঘোষনা ভ্রাম্যমান আদালতঃরাজৈরে ৫ পেঁয়াজ ব্যবসায়ীকে জরিমানা (ভিডিওসহ) রাজৈর উপজেলা প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সাথে সংসদ সদস্যের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত রাজৈরে নানার কাঁচির কোপে নাতনী ‘নিহত’ (ভিডিও সহ) তুচ্ছ ঘটনায়ঃরাজৈরে ইউপি মেম্বারকে পিটিয়ে হত্যা ঘুর্ণিঝড় বুলবুল এর প্রভাবেঃ শিমুলিয়া-কাঠালবাড়ি নৌরুটে ফেরি, লঞ্চ ও স্পীডবোট সার্ভিস বন্ধ দক্ষিন আফ্রিকায় ডাকাতের দেয়া আগুনে দগ্ধ শিবচরের আরেক জনের চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু, এ ঘটনায় নিহত-২ মাদারীপুর ডিবি পুলিশ বিআইডব্লিউটিয়ের ড্রেজারে ব্যবহৃত সরকারি ৫ হাজার ১’শ লিটার তেলসহ একজন চোরাকারবারিকে গ্রেপ্তার শিবচরে জনতার পুলিশ কার্যক্রম শুরু জেএসসি পরীক্ষাঃরাজৈরে অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগে কেন্দ্র সচিবকে শোকজ ও হল সুপারকে শোকজসহ অব্যাহতি
রাজৈরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যু 

রাজৈরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যু 

Madaripur

add 720x200

রাজৈর(মাদারীপুর) প্রতিনিধি:মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার টেকেরহাটে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রসূতি হাফসা বেগমকে (২২) আশঙ্কাজনক অবস্থায় ফরিদপুর প্রভাতী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে । ঘটনাটি ঘটেছে রোববার দিবাগত রাত ১ টার দিকে টেকেরহাট সিটি হস্পিটালে ।

ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগে জানাযায়, গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার বরইতলা গ্রামের সাদ্দাম শেখের স্ত্রী হাফসা বেগমের রোববার রাত ১২টার সময় প্রসব বেদনা ওঠে । পরে দ্রুত তাকে টেকেরহাট সিটি হস্পিটালে ভর্তি করা হয় । এসময় হসপিটালে কোন ডাক্তার না থাকায় কথিত নার্স ও আয়া দিয়ে সন্তান প্রসব করানোর জন্য চেষ্টা করা হয়। টানা হেঁচড়ার একপর্যায়ে গোপনাঙ্গ কেটে বাচ্চা বের করার সময় বাচ্চার মাথা কেটে যায়। পরে রাত ১ টার দিকে নবজাতকের মৃত্যু ঘটে। প্রসুতির অবস্থা আশঙ্কাজনক হয়ে পড়লে সিটি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাড়াহুড়ো করে তাকে অন্যত্র চিকিৎসার কথা বলে হাফসা বেগমকে সিটি হাসপাতাল থেকে বের করে দেয়। মুমূর্ষু অবস্থায় হাফসা বেগম এখন ফরিদপুর বেসরকারী প্রভাতী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

হাফসার মামা মাসুদ শেখ জানায়, ডাক্তার না থাকায় নার্স ও আয়া দিয়ে টানা হেঁচরা করে আমার ভাগ্নির বাচ্চাকে মেরে ফেলেছে। ভাগ্নির অবস্থাও আশঙ্কাজনক । আমি এ ঘটনার উপযৃক্ত বিচার চাই।

সিটি হাসপাতালের মালিক পক্ষের একজন রফিকুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, আমাদের হাসপাতালে আনার আগেই বাচ্চাকে টানাহেচঁরা করা হয়েছে । পরে অবস্থা খারাপ দেখে আমাদের এখানে ভর্তি করে । আমরা বাচ্চা প্রসব করানোর পরে দেখি বাচ্চা মৃত ।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ প্রদীপ চন্দ্র মন্ডল জানান, ঘটনা আমি শুনেছি । সিটি হাসপাতালে গিয়ে সবকিছু জেনে ব্যবস্থা নিবো ।

Comments

comments

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

add 720x200

Leave a Reply




add 300x600

উন্নয়ন সহযোগীতায়ঃ- সেভেন ইনফো টেক