মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২০, ০৩:১৩ অপরাহ্ন

নোটিশঃ-
রাজৈর নিউজের ওয়েব সাইটে আপনাকে স্বাগতম নিত্যনতুন সকল সংবাদ পড়তে আমাদের সাথেই থাকুন
সর্বশেষ সংবাদঃ-
শিবচরে পদ্মা সেতু দেখতে আসা যুবক মটরসাইকেল উল্টে নিহত ঈদের খরচ বাঁচিয়ে শিবচরে গুচ্ছগ্রাম বাসীদের মাঝে সেমাই ও বিরিয়ানী বিতরন ইউএনওর সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে মাদারীপুরে ৪০ গ্রামে ঈদ-উল ফিতর উদযাপন মুকসুদপুরে চেয়ারম্যানের রাইচ মিল থেকে ৫ জুয়াড়ী আটক রাজৈরে কুমার নদের পাড় থেকে গৃহবধূর লাশ উদ্ধার,পরিবারের দাবি পরিকল্পিত হত্যা,স্বামী আটক রাজৈরে শাজাহান খান এমপির পক্ষ থেকে ঈদ উপহার বিতরণ রাজৈরের শাখারপাড়ে প্রতিবন্ধী পরিবারকে খাদ্য সামগ্রী ঈদ উপহার দিলেন পৌর মেয়র শামীম নেওয়াজ শিমুলিয়া-কাঠালবাড়ি রুটে ফেরি চলাচল শুরু, পারাপার করা হচ্ছে জরুরী এ্যামবুলেন্সসহ ব্যাক্তিগত গাড়ি ও পন্যবাহী ট্রাক, পথে পথে পুলিশের ব্যারিকেড টেকেরহাট বন্দরে লকডাউন উপেক্ষা করে ঈদ কেনাকাটায় মানুষের ঢল পশ্চিম গগনে বাঁকা চাঁদ দেখলেই পবিত্র ঈদুল ফিতরের ঈদ
৩ বার হত্যা চেষ্টা করা হয় আমাকে,২০০১ সালে ফেরিতে নানী(বঙ্গবন্ধুর বড় বোন), মা, মামাসহ আমার পরিবারের উপর অনবরত গুলি চালানো হয়-সংসদে চীফ হুইপ লিটন চৌধুরী (ভিডিওসহ)

৩ বার হত্যা চেষ্টা করা হয় আমাকে,২০০১ সালে ফেরিতে নানী(বঙ্গবন্ধুর বড় বোন), মা, মামাসহ আমার পরিবারের উপর অনবরত গুলি চালানো হয়-সংসদে চীফ হুইপ লিটন চৌধুরী (ভিডিওসহ)

Untitled-1 copy

add 720x200

শিব শংকর রবিদাস ও সম্পা রায়ঃ জাতীয় সংসদে মঙ্গলবার রাতে চীফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী রাষ্ট্রপতির ভাষণ সম্পর্কে আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাবের উপর গুরুত্বপূর্ন বক্তব্য রেখেছেন । এসময় তিনি বিএনপি সরকার আমলের তীব্র সমলোচনা করেন। তিনি বিএনপি আমলে হামলা নির্যাতনকে ভয়াবহ আখ্যা দিয়ে ওই আমলে নিজে(চীফ হুইপ লিটন চৌধুরী) ৩ বার হত্যা চেষ্টার শিকার হওয়ার ঘটনা উল্ল্যেখ করেন। ২০০১ সালের নির্বাচনের পর ঢাকায় ফেরার পথে তার নানী বঙ্গবন্ধুর বড় বোন আছিয়া বেগমসহ তিনি ও তার পরিবারের উপর গুলি চালানোর ভয়াবহ ঘটনাসহ সেসময়কালে ২১ আগষ্ট গ্রেনেড হামলাসহ নানান হত্যাকান্ড ও হামলা মামলার তথ্য তুলে ধরেন। তিনি জাতীয় সংসদে যুদ্ধাপরাধী, স্বাধীনতা বিরোধী ও বঙ্গবন্ধু খুনীদের বসানোয় বিএনপির তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ডর চিত্র ,সংসদে গৃহিত পদক্ষেপসহ নানান বিষয়ে গুরুত্বপূর্ন তথ্য উপস্থাপন করেন। চীফ হুইপ আধুনিক হিসেবে শিবচরের উন্নয়নের জন্য তার পিতা মরহুম ইলিয়াস আহমেদ চৌধুরীকে স্মরন করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়ন কর্মকান্ডকে বিস্ময়কর আখ্যা দিয়ে অন্যকোন দলের পক্ষে শেখ হাসিনা সরকারের এই উন্নয়ন কাজ মেরামত করাও সম্ভব হবে না বলে জানান । তিনি রাষ্ট্রপতি ,সংসদ নেতা , বিরোধী দলীয় নেতা,স্পীকারসহ সকলকে ধন্যবাদ দেয়ার মধ্য দিয়ে বক্তব্য শেষ করেন। চীফ হুইপ লিটন চৌধুরীর গুরুত্বপূর্ন বক্তব্যটির বিভিন্ন অংশে সংসদ সদস্যরা মুর্হুমুহু করতালি দিতে দেখা যায়। জাতীয় সংসদে দেয়া চীফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরীর বক্তব্যটি হুবুহু তুলে ধরা হলো।

                                        নিউজের ভিডিও

——-
বক্তব্যের শুরুতেই চীফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী বলেন, আমি প্রথমেই শ্রদ্ধা জানাই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। আমি আরো শ্রদ্ধা জানাই ভাষা আান্দোলন থেকে শুরু করে মহান মুক্তিযুদ্ধসহ সকল আন্দোলনে শহীদ নেতাকর্মীদের প্রতি। আমি আরো শ্রদ্ধা জানাই আমার পিতা মরহুম ইলিয়াস আহমেদ চৌধুরীসহ সাবেক সকল সংসদ সদস্যদের প্রতি। আমাকে রাষ্টপতির ভাষনের উপর আলোচনায় অংশ গ্রহনের সুযোগ দেওয়ার জন্য আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি। রাষ্টপতি তার ভাষনে সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নের উপর একটি বক্তব্য দিয়েছেন। সেই বক্তব্য অনেক বড়। সেটার উপর আলোচনা করতে গেলে অনেক সময় লাগবে। তার মধ্যে থেকে কিছু দিকনির্দেশনা আমাদের আছে। আমি মুজিববর্ষের শুভেচ্ছা জানাই সকল সংসদ সদস্যদের প্রতি। আমরা গর্বিত এবং আনন্দিত সংসদ সদস্য হিসেবে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ট বাঙ্গালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর শতবার্ষিকী আমরা পালন করতে পারছি। মাননীয় স্পীকার, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃর্ত্বে সরকারের রুপকল্প ২০২১ ও দিন বদলের সনদ মুক্তিযুদ্ধের চেতনার আলোকে ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত দেশ গঠন। বাংলাদেশ আজ এশিয়ার সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জনকারী দেশ। ভারত ও পাকিস্তানকে পিছনে ফেলে আজ বাংলাদেশের অবস্থান উপরে।

সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড নিয়ে চীফ হুইপ বলেন, উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশে সকল উন্নয়নে জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের উত্তরসূরী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাদের যাত্রপথে আলোর দিশারী। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি ও শিল্পখাতে উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশকে একটি শক্তিশালী অর্থনীতির ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত করতে চেয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরনের লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনার নের্তৃত্বে বর্তমান সরকার ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি মধ্যম আয়ের দেশে রুপান্তরিত করতে যাচ্ছেন।, বর্তমান সরকার ধর্মপ্রান মুসলমানদের জন্য সারাদেশে ৫ শ ৬০ টি মডেল মসজিদ নির্মানের জন্য কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। রাজধানী বস্তিবাসী ও নিম্ন আয়ের মানুষের পূন:বাসনের লক্ষ্যে ১৩ হাজারেরও বেশি ফ্লাট নির্মানকাজ সম্পন্ন করতে যাচ্ছে। এ ছাড়া সারাদেশে মুজিব কেল্লা নির্মানের পরিকল্পনা নিয়েছে। মাননীয় স্পীকার সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনির আওতায় বয়স্ক ভাতা, বিধবা ও স্বামী পরিত্যক্তা, চিকিৎসা ও প্রতিবন্ধী ভাতা, শিক্ষা উপবৃত্তি, মুক্তিযোদ্ধা ভাতাসহ অসংখ্য ভাতা বর্তমান সরকার প্রদান করছে। স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও জনসংখ্যা খাতে উন্নয়নের মাধ্যমে সর্বজনীয় স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বর্তমান সরকার কাজ করছে। ২০০৯ থেকে ২০১৯ সালের জুন পর্যন্ত ৯ হাজার ৮শ ১১ টি বিদ্যালয় ভবন নির্মান, পুন:নির্মান করা হয়েছে। সারাদেশে ৭ হাজার ৫ শ ৬০ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পূর্নাঙ্গ কম্পিউটার ল্যাব নির্মান করা হয়েছে। সরকার সবার জন্য বিদ্যুৎ সুবিধা নিশ্চিত করতে শতভাগ বিদ্যুতায়ন বাস্তবায়নের লক্ষ্য হিসেবে এ পর্যন্ত ৪ শ ২ টি উপজেলায় শতভাগ বিদ্যুতায়ন সম্পন্ন করেছে। মাননীয় স্পীকার, ঢাকা শহরের যানজট সমস্যার সমাধানে এক্সপ্রেসওয়ে নির্মানকাজ চলমান আছে। চট্রগ্রাম শহরে কর্নফূলী নদীর তলদেশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেলের নির্মানকাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। আমাদের স্বপ্নের পদ্মা সেতু নির্মানকাজ আজ প্রায় শেষ পর্যায়ে । পদ্মা সেতু রেল সংযোগের কাজ চলছে যার ফলে দক্ষিনবঙ্গসহ সারাদেশে রেলসেবা পৌছে যাবে। মাননীয় স্পীকার, ১৯৭৫ সালের পর বিএনপি ও জাতীয় পার্টি সরকার নৌবন্দর নির্মান করে নাই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী পানগাও ও পায়রা বন্দর নির্মান করে ব্যবসা, বানিজ্য-বানিজ্য, আমদানী-রপ্তানির জন্য যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। মাননীয় স্পীকার, এই পবিত্র সংসদের জন্য অন্য কোন সরকার এর আগে উন্নয়নমূলক কোন কাজ হাতে নেননি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দশম সংসদে প্রায় ১শ ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছিলেন। এই সংসদেও বিদ্যুৎসহ অন্যান্য কাজের জন্য ইতমধ্যেই ২ শ ৩৪ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছেন। এ জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে সকল সংসদ সদস্যর প্য থেকে আমি অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই। মাননীয় স্পীকার, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন একটি বিস্ময়কর ব্যাপার। আজ দেশের মানুষ বিশ্বাস করে অন্য কোন সরকারের পক্ষে শেখ হাসিনার এই উন্নয়ন কাজ মেরামত করা সম্ভব হবে না।

বঙ্গবন্ধুর খুনী, যুদ্ধাপরাধীদের প্রসঙ্গে তীব্র ক্ষোভে সাথে চীফ হুইপ বলেন, এই সংসদের কথাই চিন্তা করুন। একটা সময় ছিল যখন এই সংসদে যুদ্ধাপরাধী ও বঙ্গবন্ধুর খুনিরা বসত। একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসেবে সেটা আমাদের কষ্ট দিত। আজও কানে ভাসে যুদ্ধাপরাধী সাকা চৌধুরীর সেই কর্কস হাসি ও অহমিকা। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কারনেই এই সংসদকে অপবিত্র হাত থেকে রক্ষা করা সম্ভব হয়েছে। মাননীয় স্পীকার আজ বিএনপির সংসদ সদস্যসহ অনেকেই সুন্দর সুন্দর কথা বলে, মতামত দেন।

বিএনপি আমলে হামলা নির্যাতনকে ভয়াবহ আখ্যা দিয়ে লিটন চৌধুরী বলেন, আমরা ভুলে যাইনি ২১ আগষ্টের সেই মর্মান্তিক ঘটনা। কিভাবে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে হত্যা করার চেষ্টা করা হয়েছিল। সে সময় আইভি রহমানসহ আওয়ামীলীগের অসংখ্য নেতাকর্মী নিহত ও আহত হয়েছেন। মাননীয় স্পীকার অপারেশন ক্লিনহার্টের নামে বিএনপির আমলে আওয়ামীলীগের অনেক নেতাকর্মীকে হত্যা ও নির্যাতন করা হয়েছে। মাননীয় সংসদ সদস্য তোফায়েল আহমেদ, শেখ সেলিমসহ অনেককেই অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাহাউদ্দিন নাসিমসহ অনেক নেতাকে জেলে ঢুকিয়ে নিষ্ঠুরভাবে অত্যাচার করা হয়েছে। ২০০১ সালে নির্বাচনের শুরুতে সংসদ সদস্য শামিম ওসমান, শেখ হেলালের নির্বাচনী সভায় বোমা মেরে তাদেরকে হত্যা চেষ্ঠা করা হয়। আতংক সৃষ্টি করা হয় যাতে আওয়ামীলীগের ভোটাররা নৌকার পক্ষে ভোট দিতে না যায়। আমার নির্বাচনী এলাকাতেও আমার গাড়িতে হামলা করা হয়। আমার নির্বাচনী অফিসসহ অনেক বাড়ি-ঘর ভাংচুর করা হয়। আমাদের নেতাকর্মীদের উপর অত্যাচার নির্যাতন করা হয়। ২০০১ সালের পরে সারাদেশে বিএনপি জামাত নেতাকর্মীরা সন্ত্রাসী কর্মকান্ড করে। আওয়ামীলীগ নেতাকর্মী ও নৌকার ভোটারদের বাড়ি-ঘর লুট করে। ব্যবসা বানিজ্য দখল করে হাজার হাজার নেতাকর্মীদের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করা হয়। সাবেক অর্থমন্ত্রী কিবরিয়া সাহেব, আহসানউল্লাহ মাস্টারসহ অনেক নেতাকর্মীকে হত্যা করা হয়। এই নির্যাতন থেকে আমার নির্বাচনী এলাকার কর্মীরাও রেহাই পায়নি।

চীফ হুইপ নিজের, পরিবারের ও দলীয় নেতা কর্মীদের উপর বিএনপি আমলের হামলার চিত্র তুলে ধরে বলেন, প্রায় ৬০ টির উপর মামলা দিয়ে আমার (নির্বাচনী এলাকা শিবচর)হাজার হাজার নেতাকর্মীদের হয়রানী করা হয়। আমাকেও ফেরির খাবারের প্লেট চুরিসহ একাধিক মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করা হয়। শুধু তাই নয়, আমাকে তিন তিন বার হত্যা চেষ্টা করা হয়। আজও ভুলে যাইনি সেই ভয়াবহ দিনের কথা। ২০০১ সালের নির্বাচনে জয়যুক্ত হয়ে যখন ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা করি তখন আমার সাথে ফেরিতে ছিল আমার নানী বঙ্গবন্ধুর বড় বোন আছিয়া বেগম, আমার মা, আমার মামা শেখ সেলিম, শেখ তাপসসহ আমার পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা। আমাদেরকে লক্ষ্য করে অনবরত গুলি করা হয়েছিল সেই দিন। শিবচরকে আধুনিক রুপ দেয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে নূর-ই-আলম চৌধুরী বলেন, আমার নির্বাচনী এলাকা একটি আধুনিক উপজেলা। আমি আমার পিতার স্বপ্নের আলোকে শিবচরকে সাজিয়েছি। আমি নিজেও ভাবতে পারিনি আমার পক্ষ্যে এত উন্নয়ন করা সম্ভব হবে। যা সম্ভব হয়েছে শুধুমাত্র মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারনে। তাই শিবচরের জনগনের পক্ষ থেকে আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। মাননীয় স্পীকার ১৪-১-২০২০ তারিখ রাষ্টপতির ভাষনের উপর আলোচনার যে প্রস্তাব এনেছিলাম সেই প্রস্তাবের উপর ইতমধ্যেই ২ শ ২৩ জন সংসদ সদস্য প্রায় ৫২ ঘন্টা ৩৮ মিনিট আলোচনায় অংশ গ্রহন করেছে। মাননীয় বিরোধী দলীয় নেতা, মাননীয় সংসদ নেতা আলোচনায় অংশ গ্রহন করবে। যে সকল সংসদ সদস্যগন ইতমধ্যে আলোচনায় অংশ গ্রহন করেছেন এবং যারা করবেন তাদের সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে আমি আমার বক্তব্য শেষ করছি। আমি আপনাকে এবং মহামান্য রাষ্টপতিকে ধন্যবাদ জানাই। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।

Comments

comments

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

add 720x200

Leave a Reply




add 300x600

উন্নয়ন সহযোগীতায়ঃ- সেভেন ইনফো টেক