শনিবার, ১১ Jul ২০২০, ০৪:৫১ অপরাহ্ন

নোটিশঃ-
রাজৈর নিউজের ওয়েব সাইটে আপনাকে স্বাগতম নিত্যনতুন সকল সংবাদ পড়তে আমাদের সাথেই থাকুন
সর্বশেষ সংবাদঃ-
রাজৈর র‌্যাবের হাতে ১৮০ পিচ ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক শিবচরের কাঠালবাড়ি ঘাট থেকে প্রবাসীর অপহৃত শিশু উদ্ধার মুজিববর্ষ উপলক্ষে রাজৈরে ছাত্রলীগের বৃক্ষ রোপণ ও বিতরণ শোক সংবাদঃবিবেক জোয়ারদার আর নেই কাঠালবাড়ি ঘাট থেকে ফেরির নারী যাত্রীকে স্পীডবোটে চরাঞ্চলে নিয়ে গনধর্ষনের অভিযোগ, গ্রেফতার-৪ শিবচরে ২০ শয্যার বিশেষায়িত আইসোলেশন কেন্দ্র চালু   চীফ হুইপের নির্দেশনায় শিবচরে চরাঞ্চলের বন্যা ও নদী ভাঙ্গন কবলিতদের মাঝে ত্রান বিতরন রাজৈরে ইউএনও -পুলিশ-ডাক্তার সহ ১৩ জন কোভিড মুক্ত, নতুন আক্রান্ত-৬ রাজৈর থানার অফিসার ইনচার্জ খোন্দকার শওকত জাহান পুলিশ লাইনে সংযুক্ত শিবচরের চরাঞ্চলের ৩ ইউনিয়নে ব্যাপক নদী ভাঙ্গন, নিরাপদে ছুটছে মানুষ
রাজৈরে ডাক্তারের অবহেলায় নবম শ্রেণীর ছাত্রীর মৃত্যুর অভিযোগ

রাজৈরে ডাক্তারের অবহেলায় নবম শ্রেণীর ছাত্রীর মৃত্যুর অভিযোগ

118334_1

add 720x200

রাজৈর(মাদারীপুর) সংবাদদাতা: পানি খেয়ে বমি করলেই রোগী সুস্থ্য হয়ে যাবে, চিন্তার কিছু নেই। এমন আশ্বাস দিয়ে ঘুমের ওষুধ খেয়ে অসুস্থ্য হয়ে রাজৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হওয়া রোগীর কাছে যাননি কোন ডাক্তার। বরং রোগী না দেখেই নিজ টেবিলে বসেই ব্যবস্থাপত্র লিখে দেন তৎসময়ে জরুরী বিভাগে কর্তব্যরত ডাক্তার শিউলী রানী দাস। এভাবে ১৪ ঘন্টা পার হওয়ার পর মূমূর্ষূ অবস্থায় রোগীর কাছে তড়িঘড়ি গিয়ে হাজির হন আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ মিঠুন রায়। এসময় পূর্বের ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী ২টি ইনজেকশন পুশ করার পরই রাজৈর বালিকা বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর ছাত্রী ইয়াসমিন(১৪) মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে বলে অভিযোগ ওঠে। মৃত ইয়াসমিন আলমদস্তার গ্রামের ইলিয়াস শেখের মেয়ে। মুহুর্তেই এ খবর ছড়িয়ে পড়লে ইয়াসমিনের স্বজনরা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্ত¡রে ছুটে আসে। তাদের চিৎকারে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সোহানা নাসরিন এবং ওসি খন্দকার শওকত জাহান ঘটনাস্থলে ছুটে যান এবং স্বজনদের সাথে কথা বলে বিচারের আশ্বাস দেন।

ঘটনাটি ঘটেছে আজ শুক্রবার সকাল ১০ টার দিকে মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ।

ইয়াসমিনের মা লিপি বেগম অভিযোগ করে জানান, আমার মেয়ে ঘুমের ওষুধ খেয়ে অসুস্থ্য হয়ে পড়লে বৃহষ্পতিবার বিকাল সাড়ে ৫ টার রাজৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করার সময় পেট ওয়াস না করেই বলেন পানি খেয়ে বমি করলেই ঠিক হয়ে যাবে। এরপর একটি ব্যবস্থাপত্র লিখে দেন। তারপর বারংবার ডেকেও কোন ডাক্তারকে পাওয়া যায়নি । এ অবস্থার ১৪ ঘন্টা পার হওয়ার পর আজ শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে আমার মেয়ের অবস্থার অবনতি হলে ডাঃ মিঠুন রায় এসে আগের ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী পরপর ২টি ইনজেকশন (কটসন ) পুশ করেন। এরপরই খিচুনি দিয়ে আমার মেয়েটি নিরব হয়ে যায়। অথচ আজ সকাল পর্যন্ত মেয়েটি আমার সাথে ভালভাবে কথা বলেছিল।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সেবিকা জানায়, আমরা স্যারকে নিয়ে যখন রোগীর কাছে গেছি তার আগেই সব শেষ।

মেয়ের মামা শান্টু মিয়া জানান, ডাক্তারের অবহেলায়ই আমার ভাগ্নির মৃত্যু হয়েছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ প্রদীপ চন্দ্র মন্ডল ইয়াসমিনের মৃত্যুর ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, অবহেলা করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবেনা। তদন্ত করে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Comments

comments

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

add 720x200

Leave a Reply




add 300x600

উন্নয়ন সহযোগীতায়ঃ- সেভেন ইনফো টেক