শুক্রবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২০, ০৫:২৬ অপরাহ্ন

নোটিশঃ-
রাজৈর নিউজের ওয়েব সাইটে আপনাকে স্বাগতম নিত্যনতুন সকল সংবাদ পড়তে আমাদের সাথেই থাকুন
সর্বশেষ সংবাদঃ-
শিবচর উপজেলা আওয়ামীলীগের সম্মেলন ঘিরে উৎসবমূখর পরিবেশ রাজৈরে মাস্ক না পড়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা মুকসুদপরে এলাকায় অধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ২ পক্ষের মধ্যে সং’ঘ’র্ষ ১ যুবক নি’হ’ত, আ’হ’ত ২০ রাজৈর পৌর নির্বাচনঃ বাছাইপর্বে ২ জন মেয়র প্রার্থীসহ ১২ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল রাজৈর পৌরসভা নির্বাচনঃ মেয়র পদে ৭,সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে ৯জন ও কাউন্সিলর পদে ৩৫ জনের মনোনয়নপত্র দাখিল রাজৈরে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ রাজৈর পৌরসভাকে আধুনিক পৌরসভা করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছি-শামীম নেওয়াজ মেয়র রাজৈর পৌরসভা রাজৈর পৌরসভা নির্বাচনে নৌকা প্রতীক পেলেন নাজমা রশিদ নোটারী পাবলিকের মাধ্যমে বাল্য বিয়ে,ফেসে যাচ্ছেন কাজী ও উকিল রাজৈরে বিদ্যালয়ে আ্যাসাইনমেন্টের নামে অর্থ বাণিজ্যের অভিযোগ
রাজৈর পৌরসভাকে আধুনিক পৌরসভা করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছি-শামীম নেওয়াজ মেয়র রাজৈর পৌরসভা

রাজৈর পৌরসভাকে আধুনিক পৌরসভা করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছি-শামীম নেওয়াজ মেয়র রাজৈর পৌরসভা

News pic  (3) (11)

add 720x200

মো: ইব্রাহীমঃ সাংবাদিকদের দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রাজৈর পৌর মেয়র শামিম নেওয়াজ বলেন,রাজৈর পৌরসভাকে আধুনিক পৌরসভা করার লক্ষ্য নিয়ে আমি কাজ করছি। এ পৌরসভার মানুষের বাসযোগ্য একটি আধুনিক পৌরসভা হিসেবে গড়ে তোলা হবে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান যে সোঁনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন তা বাস্তবায়নে আমি ভূমিকা রাখতে চাই।

গত পাঁচ বছর ধরে নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছি। মাদক সন্ত্রাস ও দুর্নীতির ছোবল থেকে পৌরসভাকে পুরোপুরি মুক্ত করতে চাই,এই সাক্ষাৎকারে পৌর মেয়র শামিম নেওয়াজ দায়িত্বভার গ্রহণের পর থেকেই এ লক্ষ্যকে সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ও সংসদ সদস্য শাজাহান খানের সহযোগীতায় একত্রিত হয়ে বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ড পরিচালনা করে যাচ্ছি। পৌরসভাকে সম্পূর্ণভাবে দুর্নীতিমুক্ত করতে ইতিমধ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। দুর্নীতি প্রতিরোধে রাজৈর পৌরসভাকে সচেতন করতে নানাভাবে কাজ করে যাচ্ছি। মাদক ও সন্ত্রাস প্রতিরোধে বিভিন্ন জনসচেতনতামূলক কর্মকান্ড পরিচালনা করা হচ্ছে এ পৌরসভার। এই জেলায় দক্ষিণাঅঞ্চলের একসময়ের অন্যতম বন্দর এলাকা হিসেবে পরিচিত।

২০১২ সালে ১২ বর্গ কিলোমিটার জায়গা নিয়ে রাজৈর পৌরসভা গঠিত হয়। এই পৌরসভায় ৬০ হাজার মানুষের বসবাস রয়েছে। খুব স্বাভাবিক কারণেই এই পৌরবাসীর অনেক চাওয়া-পাওয়া রয়েছে পৌরসভার কাছে।

রাজৈর পৌরসভা বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলের মাদারীপুর জেলার রাজৈর উপজেলার অন্তর্গত একটি তৃতীয় শ্রেণীর (গ-শ্রেণী) পৌরসভা যা ৯টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত। রাজৈর উপজেলার উপর দিয়ে কুমার নদ প্রবাহিত হয়েছে। এই পৌরসভা প্রথম নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বিপুল পরিমাণ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়ে ২০১৫ সালের ৫ ফেব্রুয়ারী পৌরপিতা হিসেবে দয়িত্ব গ্রহণ করেন শামীম নেওয়াজ।

বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বুকে ধারণ করে শামীর নেওয়াজ ১৯৯২ সালের ছাত্রলীগের রাজনীতিতে সক্রিয় হন । ২০০৫ সালে তিনি উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হন। পরে ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসে সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে অব্যহতি নেন।

তিনি সাংবাদিকদের আরো বলেন,বর্তমান মহামরী করোনা ভাইরাসের সময় বাংলাদেশ সরকারে নির্দেশনায় পৌর কাউন্সিলর ও কর্মকর্তাদের নিয়ে বিভিন্ন রাস্তা ঘাট কীটনাশক ছিটানো হয়। মাস্ক হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও হ্যান্ড গ্লাভস বিতারন।

লকডাউনে পৌর সভার পক্ষ থেকে মহামারী করোনা ভাইরাস সম্পর্কে সচেতনতা মুলক মাইকিং। লকডাউনে আটকে থাকা শ্রমিকদের ও সাধারন জনগনের পাশে থেকে ৫ মাস করোনায় আক্রান্ত রোগীদের বাড়ি বাড়ি নিজস্ব অর্থে ও সরকারি খাদ্য সামগ্রীসহ নগত অর্থ বিতরণ করি। করোনা ভাইরাসের মধ্যে প্রতিবন্ধীদের ঈদ উপহার দেওয়া হয়েছে। করোনা রোগে যারা আক্রান্ত হয়েছে তাদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে নিজস্ব অর্থ দিয়ে খাদ্য সামগ্রী পৌছে দিয়েছি।

আলাপ কালে পৌর মেয়র শামিম নেওয়াজ এর কাছে সাংবাদিকদের আলাপ কালে পৌরসভার উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন,ইতিমধ্যে পৌরসভার ৯ টি ওয়ার্ডে মধ্যে ২৯,৭২১.৯৩ মিটার ইটের সলিং রাস্তা, ১৪,৮৭৪.৭৪ মিটার আরসিসি রাস্তা, ৬,২৫৩.৪২ মিটার কারপেটিং রাস্তা, ৬,৩০৩ মিটার আর সিসি ম্যাসনারি ড্রেন, ১,৯৮৯.৬৬ মিটার সিসি রাস্তা,খাল পূন: খনন ১১৭৫ মিটার, ৯০২ মিটার এইচ বি বি রাস্তা, ২৯৪.৮০ মিটার কালভাট, সৌর সড়ক বাতি স্থাপন ৫১৭টি,অগভীর নলকুপ ২৪টি, ৬টি পাবলিক টয়লেট, ১২টি স্থায়ী ডাষ্টবিন , ৩টি ফিস শেড, পৌর কবর স্থান ২টি, ১টি শ্মশান চুল্লি ঘাট,২টি পৌর ভবন ও ১ টি রাজৈর পৌর ঈদগাহ। বর্তমানে চলমান আছে অনেক নির্মাণ কাজ । এছাড়াও বিভিন্ন এলাকায় নতুন রাস্তা মসজিদ ও মন্দির সংস্কার সহ বিভিন্ন কর্মকান্ড চলমান রয়েছে। পৌরসভার পক্ষ থেকে অসংখ্য অসুস্থ পঙ্গু ও দরিদ্র মানুষকে সাহায্য করা হচ্ছে। পৌরসভাকে ভিক্ষুকমুক্ত করতে বিভিন্ন সময়ে ভিক্ষুকদের আর্থিক অনুদান প্রদান করা হচ্ছে। তালিকা করে বিধবা ভাতা,বয়স্ক ভাতা ও শিশু ভাতা ও প্রতিবন্ধী ভাতা প্রদান করা হয়।

মেয়র বলেন, দেশে খাল ও নদীর প্রবাহ বহমান রাখতে জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষণা অনুযায়ী পৌরসভার টেকেরহাটের মিল্কভিটা খালের (পূর্ব স্বরমঙ্গল) অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে খালটি পুনঃখনন করা হয়েছে। গতবছর এ খাল খননের কাজ শেষে দীর্ঘ ২২ বছর পর খাল দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। পৌরসভার উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন প্রকল্প জমা দিয়েছি তা পেলে আমাদের পৌরসভাকে আরো উন্নয়নের জন্য কাজ করতে পারবো।

বাল্যবিবাহ প্রতিরোধের জন্য আমাদের পৌরসভায় যারা আসে যাচাই-বাছাই না করে এই পর্যন্ত আমরা একটাও জন্ম নিবন্ধন দেয়নি। এ সময় পৌর মেয়র অভিযোগ করে বলেন কিছু কিছু ইউনিয়ন পরিষদ আছে আমাদের পৌরসভার জনগনের যে জন্ম নিবন্ধন আমাদের এখান থেকে ফিরিয়ে দিলে কিছু অসাধু লোক আছে তারা ইউনিয়ন থেকে জন্ম নিবন্ধন করে বাল্যবিবাহ জন্য সহযোগিতা করে থাকে। আমাদের পাশে যে ইউনিয়ন আছে তার যদি পৌরসভা জন্ম নিবন্ধন দেওয়া বন্ধ করে দেয়, তাহলে আমাদের পৌরসভায় বাল্যবিবাহ রোধ হবে। সচেতনার কারণে আমরা অনেক বাল্যবিবাহ বন্ধ করে সফল হয়েছি। আমাদের পৌর এলাকায় বর্তমানে কোন বাল্যবিবাহ নাই।

মাদকের বিরুদ্ধে ‘যুদ্ধ’ ঘোষণা করেছেন সরকার। মেয়র বলেন,পৌরসভাকে মাদক মুক্ত করতে প্রশাসনের সহযোগিতায় বিভিন্ন সভা-সেমিনারে এবং সাধারন মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে সচেতন করা হচ্ছে।

পৌর মেয়র আরো বলেন, এটা যেহেতু রন্ধে রন্ধে ঢুকে গেছে তাই একটু সময় লাগবে। আমাদের বতর্মান যে পদক্ষেপ সেই পদক্ষেপকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য সকল স্তরের জনগন যদি ম্যাসেজ দিয়ে আমাদের সহযোগিতা করে তাহলে আমরা সকলে মিলে চেষ্টা করলে মাদকমুক্ত করা সম্ভাব হবে।

বর্তমান সরকার দুর্নীতিকে জাতীয় সমস্যা চিহ্নিত করেছে এটা বন্ধে নানা পদক্ষেপ নিয়েছে এই সম্পর্কে জানতে চালেই বলেন,সরকারে এ উদ্যোগকে স¦াগতম জানাই। সরকার একটা প্রতিষ্ঠান,সরকার পরিচালনা করে আমাদের মত মানুষ, সেই মানুষ গুলো যার যার অবস্থান থেকে সঠিক কাজ করি তাহলে দুর্নীতি প্রতিরোধ করা সম্ভব। আমরা যদি সঠিক না হই তাহলে দুর্নীতি বন্ধ করা সম্ভাব হবে না। প্রত্যেকটা মানুষ যদি নিজ অবস্থান থেকে দুর্নীতি না করি তাহলে দুর্নীতি বন্ধ হবে। সরকারের যে দুর্নীতি বন্ধ অভিযান তা এগিয়ে যাবে। রাষ্ট্রীয় আইন মানা ফরজ। রাষ্ট্রীয় আইন না মানি তাহলে দুর্নীতি বন্ধ করা সম্ভাব হবে না । রাষ্ট্রীয় আইন পালন করে কাজ করতে পারি তাহলে সরকারের সদ ইচ্ছা দেশকে বঙ্গবন্ধুর সোঁনার বাংলা করা সম্ভাব হবে। তাহলে আমরাও সোঁনার বাংলা সু-নাগরিক হিসেবে বসবাস করতে পারবো।

মেয়র আরো বলেন পৌরসভাকে শতভাগ দুর্নীতিমুক্ত রাখতে কঠোর নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। পৌরসভায় এসে নাগরিকরা ভোগান্তিবিগহীন সেবা পাচ্ছেন। পৌরবাসী সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে তাদের পাশে থাকছি।রাজৈর পৌরসভাকে মাদকমুক্ত করতে যুবসমাজকে খেলাধুলায় উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।

পৌরবাসীকে নিয়ে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কি করতে চাইলে শামীম নেওয়াজ বলেন, এখানে শিশুদের জন্য খেলাধুলার তেমন কোন মাঠ নেই তাই রাজৈর পৌরসভায় একটি মিনি স্টেডিয়াম করার পরিকল্পনা রয়েছে। আর একটি শিশুপার্ক করতে চাই। জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার যে অঙ্গীকার দিয়েছেন আমিও তার অংশীদার হিসেবে সেই লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি।

মুজিববর্ষ উপলক্ষে জানতে চাইলে তিনি বলেন (মেয়র বলেন), পৌরসভায় বিভিন্ন এলাকায় ময়লা আবর্জনা রাস্তাঘাট পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা হচ্ছে। সুস্থ থাকার জন্য পরিবার পরিজন নিয়ে ভালো থাকা যায় সেই লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি। মুজিববর্ষ উপলক্ষে পৌর এলাকার মধ্যে টেকেরহাট কুমার নদের হেমিল্টন সেতুকে আলোকসজ্জা সাজানো হয়েছে। প্রতিটি ওয়ার্ড এবং এলাকাকে আলোকিত করতে পারি সেই লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি। সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী মুজিববর্ষ উপলক্ষে আরো কিছু কাজ হাতে নিয়েছি। অর্থের অভাবে সে কাজগুলো করতে পারছিনা অর্থ বরাদ্দ পেলে কাজগুলো করতে সক্ষম হব। সেই কাজগুলো করতে পারি সে জন্য সরকারের কাছে সহযোগিতা কামনা করছি।

আমাদের ৭ বারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য সাবেক নৌ পরিবহন মন্ত্রী,মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও সংসদ সদস্য শাজাহান খান ১৯৯৬ সাল থেকে চেষ্টা চালিয়ে তিনি নৌ-পরিবহন মন্ত্রী থাকা অবস্থায় ২০১২ সালে এই পৌরসভাকে প্রতিষ্ঠা করে। ২০১২ সালে নৌ-পরিবহন মন্ত্রীর চেষ্টায় মাননীয় প্রধান মন্ত্রী রাজৈরকে পৌরসভায় উন্নতি করে। মাননীয় সংসদ শাজাহান খান রাজৈরকে তার সন্তান মনে করে বিভিন্ন সময় উন্নয়ন মুলক পরামর্শ ও উন্নয়মূলক বরাদ্দ আনার জন্য মন্ত্রালয় যে চেষ্টা সে চালিয়ে যাচ্ছেন। সেই অনুযায় বিভিন্ন বরাদ্দ পেয়েছি। এই পৌরসভাকে সাজানোর ও উন্নয়ন জন্য কাজ করে। মাননীয় সংসদ সদস্যর চেষ্টায় পৌর ভবনের কাজটি বর্তমানে শেষের পথে। মাননীয় সংসদ সদস্য শাজাহান খান সহযোগিতায় কাজ করে যাচ্ছি।

প্রধান মন্ত্রীর কাছে চাওয়া,মানোনীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে পৌরবাসির জন্য আমার চাওয়া পৌর নাগরিকদের জীবন সুন্দর করতে যুবকদের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার জন্য আমি সরকারের কাছে উদাত্ত আহবান জানাব,আমাদের এখানে বেকার যুবকরা যাতে কর্ম করে খেতে পারে ,আমাদের পৌর এলাকার মধ্যে যদি একটা কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হয়। সরকারের কাছে এটাই আমার দাবি থাকবে। তাহলে আমাদের এখানে হতদরিদ্র মানুষ কর্ম করে খেয়ে বেঁচে থাকতে পারবে।

Comments

comments

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

add 720x200

Leave a Reply




add 300x600

উন্নয়ন সহযোগীতায়ঃ- সেভেন ইনফো টেক