শনিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২১, ০৯:২৫ পূর্বাহ্ন

নোটিশঃ-
রাজৈর নিউজ অনলাইন পত্রিকার পক্ষ থেকে আপনাদের স্বাগতম। নিত্যনতুন সকল সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন।ফেসবুক পেইজ থেকে আমাদের নিউজে চোখ রাখুন:- https://www.facebook.com/rajoirnews  তাছাড়া সংবাদ এর ভিডিও দেখুন ইউটিউব থেকে  BanglaNews Tube
সর্বশেষ সংবাদঃ-
রাজৈরের কদমবাড়ী প্রেমিকার বাড়ীর সামনের গাছে প্রেমিকের ঝুলন্ত লাশ, পরিবারের দাবি হত্যা রাজৈরে বিপুল পরিমাণ জাটকা জব্দ, ৫ জনকে কারাদন্ড সাংবাদিক বুরহান উদ্দিন মুজাক্কির হত্যার প্রতিবাদে রাজৈরে মানববন্ধন শিবচরে হাজী শরীয়ত উল্লাহ রহ.এর আস্তানায় আজ থেকে ৩ দিন ব্যাপী ঐতিহ্যবাহী মাহফিল শুরু পূর্ব শত্রুতা ও এলাকার আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে রাজৈরে ৫ জনকে পিটিয়ে আহত,হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১ জনের মৃত্যু,বাড়িঘর ভাংচুর ও লুটপাট শিবচরে উপজেলা পর্যায়ে দেশের প্রথম সরকারী টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ মাদারীপুরে ঢাকাস্থ চন্দ্রিমা সনাতন সংঘের সদস্যদের তীর্থ দর্শন ও আলোচনা সভা শিবচর পৌর নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামীলীগ প্রার্থীকে বেসরকারীভাবে বিজয়ী ঘোষনা রাজৈরে কোভিড-১৯ (করোনা) এর টিকা নিল ১০ জন বর্ণাঢ্য আয়োজনে টেকেরহাটে দৈনিক যুগান্তরের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন
শিবচরের হাইটেক পার্কের নির্ধারিত স্থানের অবৈধ স্থাপনা অপসারন কার্যক্রম তদারকিতে জেলা প্রশাসক,অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, সরকারের ২ শ কোটি টাকার বেশি সাশ্রয়ের আশাবাদ

শিবচরের হাইটেক পার্কের নির্ধারিত স্থানের অবৈধ স্থাপনা অপসারন কার্যক্রম তদারকিতে জেলা প্রশাসক,অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, সরকারের ২ শ কোটি টাকার বেশি সাশ্রয়ের আশাবাদ

Shibchar Hightech Park-2

add 720x200

প্রদ্যুৎ কুমার সরকারঃশিবচরের শেখ হাসিনা ইনষ্টিটিউট অব ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি এন্ড হাইটেক পার্কের নির্ধারিত স্থানের অবৈধ স্থাপনা অপসারন কার্যক্রম শনিবার তদারকি করেছেন মাদারীপুর জেলা প্রশাসক ড.রহিমা খাতুন । এ পর্যন্ত সাড়ে ৬ শতাধিক অবৈধ স্থাপনা ও কয়েক শ গাছ পালা উচ্ছেদ হয়েছে । তবে এখনো প্রকল্প এলাকায় হাজার হাজার গাছ ও বাগান থাকায় স্থানীয়দের উপর ক্ষোভ প্রকাশ করেন জেলা প্রশাসক। অবৈধ স্থাপনা ও গাছ পালা অপসারন হলে এ প্রকল্পে সরকারের ২ শ কোটি সাশ্রয় হবে বলে জেলা প্রশাসক দাবী করেন। এ ধরনের অভিযানের জন্য জেলা প্রশাসক স্থানীয় সংসদ সদস্য চীফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরীর কঠোর অবস্থানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

সরেজমিনে জানা যায়, পদ্মা সেতুর এক্সপ্রেস হাইওয়ের পাশে শিবচরের কুতুবপুরের কেশবপুরে আইসিটি মন্ত্রনালয় শেখ হাসিনা ইনষ্টিটিউট অব ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি এন্ড হাইটেক পার্ক নির্মানে ৭০.৩৪ একর জায়গা নির্ধারন করে। এরপর থেকেই গত বেশ কিছু দিন ধরে নির্ধারিত এই স্থানে সরকারের কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিতে ক্ষতিগ্রস্থদের সহায়তায় দালালচক্র ওই এলাকায় অবৈধ ঘর বাড়ি বাগান খামার স্থাপন শুরু করে। সম্প্রতি আইসিটি মন্ত্রনালয় থেকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জমি হুকুম দখলের প্রস্তাব করে। খবরটি ছড়িয়ে পড়লে ওই এলাকায় অবৈধ ঘর বাড়ি বাগান খামার স্থাপন আরো বেড়ে যায়। দালালচক্র পদ্মা সেতুর বিভিন্ন প্রকল্পে ক্ষতিপূরন পাওয়া ঘরবাড়ি এ প্রকল্পে আবারো স্থাপন করে অপতৎপরতা শুরু করে। এ পরিস্থিতিতে বারবারের সংসদ সদস্য চীফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরীর নির্দেশে ১৮ জানুয়ারি ওই এলাকায় সম্ভাব্য ক্ষতিগ্রস্থদের নিয়ে সভার আয়োজন করে ৭দিনের সময় বেধে দেয় জেলা প্রশাসন।এরপর ২৮ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার সকাল থেকে একাধিক ম্যাজিস্ট্রেট ও বিপুল সংখ্যক পুলিশ বাহিনীর সদস্য প্রকল্প এলাকায় অভিযান শুরু করে। বৃহস্পতিবার প্রথম দিনের অভিযানে আড়াই শতাধিক অবৈধ ঘরবাড়ি শত শত উচ্ছেদ করা হয়। দেড় শতাধিক ঘরবাড়ি নিজেরাই সরিয়ে নিয়েছে বসতকারীরা। আরো শত শত অবৈধ ঘরবাড়ি স্থাপনা সরিয়ে নিতে একদিনের সুযোগ দেয় প্রশাসন। শুক্রবার প্রায় দেড় শতাধিক ঘরবাড়ি স্থাপনা সরিয়ে নেয় স্থানীয়রা। শনিবার সরেজমিনে পরিদর্শনে আসেন জেলা প্রশাসক ড.রহিমা খাতুন , সহকারী কমিশনার(ভূমি)এম রাকিবুল হাসান। সকলেই দালালদের দৌরাত্মের কথা স্থানীয়রা অকপটে স্বীকার করেন। তাদের সামনেই অনেককে অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নিতে দেখা যায়। অবৈধ এসকল ঘরবাড়ি নিজেরাই সরিয়ে নেয়ায় জেলা প্রশাসক স্থানীয়দের ধন্যবাদ জানান। তবে এখনো অবৈধ হাজার হাজার গাছ বাগান থাকায় স্থানীয়দের উপর ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। এসময় স্থানীয়রা তার কাছে এসকল গাছ বাগান ও জমির মুল্য বাড়িয়ে ক্ষতিপূরনের তালিকাভুক্তির দাবী করেন। জেলা প্রশাসক তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেন।

মাদারীপুর জেলা প্রশাসক ড.রহিমা খাতুন বলেন, পরিদর্শনকালে আমরা অনেক অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নিতে দেখছি। চীফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী স্যারের কঠোর ভূমিকার কারনে এ প্রকল্প থেকে দ্রুত অবৈধ স্থাপনা সরানো সম্ভব হয়েছে। আমরা তার কাছে কৃতজ্ঞ। এতে সরকারের ২শ কোটি টাকার বেশি সাশ্রয় হবে। কোন অবস্থাতেই এ প্রকল্পে কোন অবৈধ স্থাপনা বা গাছ ক্ষতিপূরন পাবে না। যৌথ তদন্তে প্রয়োজনে আমি নিজে থাকবো।

Comments

comments

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

add 720x200

Leave a Reply




add 300x600

উন্নয়ন সহযোগীতায়ঃ- সেভেন ইনফো টেক