বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:৪২ পূর্বাহ্ন

নোটিশঃ-
রাজৈর নিউজ অনলাইন পত্রিকার পক্ষ থেকে আপনাদের স্বাগতম। নিত্যনতুন সকল সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন।ফেসবুক পেইজ থেকে আমাদের নিউজে চোখ রাখুন:- https://www.facebook.com/rajoirnews  তাছাড়া সংবাদ এর ভিডিও দেখুন ইউটিউব থেকে  BanglaNews Tube
সর্বশেষ সংবাদঃ-
মাদারীপুরের নদী বেষ্টিত ধুরাইলের শিক্ষার বাতিঘর খ্যাত একটি বিদ্যালয় ও একজন শিক্ষকের কথা “সৃজনশীল তোমার খোঁজে” প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শিবচরে মেধা বিকাশে নবপ্রভার ব্যতিক্রম আয়োজন সৌদি আরবে ব্রয়লার বিস্ফোরনে শিবচরের ১ যুবকসহ নিহত ৪ রাজৈরে পাইকপাড়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক সংগঠনের শুভ উদ্বোধন ও ত্রান সামগ্রী বিতরণ স্বামীর চাপাতির কোপে স্ত্রী গুরুতর আহত শিবচরে শিশু ভাতিজাকে টয়লেটের মেঝেতে পুতে রাখলো চাচী ও চাচাতো বোন, গ্রেপ্তার শেষে ৩ দিন পর উদ্ধার রাজৈরে সম্পত্তি হাতিয়ে নিতে স্বামীকে পাগল সাজিয়ে পাবনা হাসপাতালে ভর্তির অভিযোগ শিবচরে শিক্ষার্থীদের মাঝে মাক্স বিতরন শিবচরে অটো ভ্যান চাপায় এক শিশু নিহত রাজৈরে পৌরসভা কার্যালয়ে রহস্যজনক চুরি, থানায় অভিযোগ
আজও কাঁদছেন গ্রেনেড হামলার নিহত লিটনের মা-বাবা

আজও কাঁদছেন গ্রেনেড হামলার নিহত লিটনের মা-বাবা

Rajoir (21 August) Graned Hamla Death Pic (2)-  20.08.2021

add 720x200

মোঃ ইব্রাহীমঃ যেখানেই আওয়ামী লীগের মিটিং মিছিল, সেখানেই ছিল লিটন মুন্সীর অবস্থান। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট ঢাকায় গ্রেনেড হামলায় নিহত মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার উত্তর হোসেনপুর গ্রামের যুবলীগ নেতা লিটন মুন্সীর মা-বাবা ভালো নেই। অসুস্থ হয়ে পড়ায় এখন কাজকর্ম করতে পারেন না তার বাবা আইয়ুব আলী মুন্সী। মা আছিয়া বেগমও অপারেশনের রোগী। প্রতি মাসে তাদের ঔষধ বাবদ খরচ হয় ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা। সরকারি ৩ হাজার টাকা মাসিক ভাতায় না চলে সংসার-না চলে চিকিৎসার খরচ। একেতো পুত্রশোকে কাতর বৃদ্ধ মা-বাবা। তারপরে রয়েছে অভাব অনটন। দীর্ঘ ১৭ বছর পার হয়ে গেলেও অঝোরে কেদেই চলেছেন তারা। মামলার রায় আজও কার্যকর না হওয়ায় লিটনের পরিবারের মতো হতাহত অন্যান্য পরিবারে মাঝেও ক্ষোভ রয়েছে। তারা এখনো দিন গুণছে মামলার রায় কার্যকরের আসায়।

জানা গেছে, যেখানেই আওয়ামী লীগের মিটিং মিছিল, সেখানেই ছিল লিটন মুন্সীর অবস্থান। সে ছিল যুবলীগের নিবেদিত কর্মী। এই টানেই তিনি ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট ঢাকার বঙ্গবন্ধু এভিনিউ-এ অনুষ্ঠিত বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সমাবেশে যোগ দিতে ঢাকা গিয়েছিল। সেখানেই বর্বরোচিত গ্রেনেড হামলায় নির্মমভাবে নিহত হন তিনি। তার পরিবারে শোকের ছায়া এখনও কাটেনি। তবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ায় লিটনের একমাত্র মেয়ে নুসরাত জাহান মিথিলার ভবিষ্যতের পথ সুগম হলেও ভালো নেই তার মা-বাবা। এদিকে লিটনের স্ত্রী বিয়ে করে নতুন সংসারে যোগ দেওয়ায় সেও তাদের কোন খোঁজ খবর নেন না। মেয়েও তার নানা বাড়ি থেকে পড়াশোনা করায় লিটনের বৃদ্ধ মা-বাবার সাথে কোন যোগাযোগ হয় না।

মা আছিয়া বেগম বলেন, আমাদের একমাত্র ছেলে লিটন যুবলীগের সভাপতি ছিল। গ্রেনেড হামলায় মারা যাওয়ার পর সেই সুবাদেও কেউ আমাদের কোন খোঁজ খবর নেয় না। তিন বছর আগে আমার পেটের পাথর অপারেশন করাইছি। আমার স্বামীও ৯ মাস যাবত অসুস্থ। প্রতিমাসে আমার ঔষধ বাবদ ১০ হাজার টাকা খরচ হয়। চিকিৎসা খরচ চালাতে মাঝে মধ্যে মানুষের কাছেও হাত পাততে হয়।

লিটনের বাবা আইয়ুব আলী মুন্সী বলেন, ‘আমার ছেলের তো কোন দোষ ছিল না। আমার একমাত্র ছেলেকে কবরে শুইয়ে রেখে কিভাবে বেঁচে আছি বলতে পারেন? তিনি এই গ্রেনেড হামলা মামলার রায় কার্যকর করার দাবী জানান।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৭ বছর পূর্বে নিহত লিটন মুন্সীর স্ত্রী মাফিয়া বেগমকে ৫ লক্ষ টাকা দিয়েছিলেন। মেয়ে মিথিলাকে ২০১৮ সালে আরো ৫লক্ষ টাকা ও ঢাকার মিরপুরে একটি ফ্লাট বাড়ি দিয়েছেন। এছাড়াও মিথিলার ভরণ-পোষণ ও লেখা পড়ার খরচ বাবদ প্রতিমাসে ৫ হাজার টাকা করে ভাতা দেন। মিথিলা এবার মাদারীপুর সরকারী ডনোভান বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরিক্ষার্থী।

গ্রেনেড হামলায় অন্যদের মধ্যে নিহত সুফিয়া বেগমের বাড়ি উপজেলার কদমবাড়ি ইউনিয়নের মহিষমারি গ্রামে। ওই দিন মহিলা নেত্রীদের সাথে প্রথম সারিতেই ছিলেন সুফিয়া বেগম। চ লা ও উদ্যোমী সুফিয়া স্বপরিবারে ঢাকায় থাকতেন। তাকে আজিমপুর কবরস্থানে দাফন করা হয়।

মাদারীপুর জেলা প্রশাসক ড. রহিমা খাতুন বলেন, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় জারাই আহত-নিহত হয়েছে, আমরা তাদের পরিবারের সাথে কথা বলে ব্যাবস্থা নিব। অবশ্যই তাদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্য সহযোগিতা দেব।

Comments

comments

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

add 720x200

Leave a Reply




add 300x600

উন্নয়ন সহযোগীতায়ঃ- সেভেন ইনফো টেক