মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর ২০২১, ১১:১০ পূর্বাহ্ন

নোটিশঃ-
রাজৈর নিউজ অনলাইন পত্রিকার পক্ষ থেকে আপনাদের স্বাগতম। নিত্যনতুন সকল সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন।ফেসবুক পেইজ থেকে আমাদের নিউজে চোখ রাখুন:- https://www.facebook.com/rajoirnews  তাছাড়া সংবাদ এর ভিডিও দেখুন ইউটিউব থেকে  BanglaNews Tube
সর্বশেষ সংবাদঃ-
রাজৈরে ভ্যানের জন্য যুবককে কুপিয়ে হত্যা মন্দিরে হামলা ও হিন্দুদের বাড়িঘর অগ্নিসংযোগে পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় দোষীদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবীতে মাদারীপুরে গণ অনশন কর্মসূচী পালিত রাজৈরে অজ্ঞাত যুবকের রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ শিবচরে চুরি হয়ে গেলো প্রাচীন শতবর্ষী নিদর্শনটি! রাজৈরে ট্রাক-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষ, মোটরসাইকেল আরোহী নিহত  রাজৈরে নতুন ঘর পেল ৪৭টি পরিবার রাজৈরে যথাযগ্য মর্যাদায় শেখ রাসেল দিবস পালিত রাজৈরে স্বামী স্ত্রীর বিষ পান। স্বামীর মৃত্যু। স্ত্রীর অবস্থা আশঙ্কাজনক কুমিল্লায় যে ঘটনাটি ঘটেছে এটি স্পষ্টভাবে বোঝা যায় এটি একটি ষড়যন্ত্র -শাজাহান খাঁন  দেশকে অস্থির করতে কখনো মন্দিরে কখনো মসজিদে ঘটনা ঘটানো হয়- শিবচরে দূর্গাৎসবে চীফ হুইপ লিটন চৌধুরী
মাদারীপুরের নদী বেষ্টিত ধুরাইলের শিক্ষার বাতিঘর খ্যাত একটি বিদ্যালয় ও একজন শিক্ষকের কথা

মাদারীপুরের নদী বেষ্টিত ধুরাইলের শিক্ষার বাতিঘর খ্যাত একটি বিদ্যালয় ও একজন শিক্ষকের কথা

a

add 720x200

নিত্যানন্দ হালদার,মাদারীপুরঃ নদী বেষ্টিত একটি দ্বীপাঞ্চলের নাম মাদারীপুর সদর উপজেলার ধুরাইল ইউনিয়ন।প্রমত্তা আডিয়াল খাঁ নদীর ভাঙ্গা গড়ার খেলায় ইউনিয়নটির মানচিত্র পাল্টে গেছে একাধিকবার। ইউনিয়নটিকে চতুর্দিক থেকে ঘিরে রেখেছে আড়িয়াল খাঁ নদী। যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম ছিল নৌকা এ ইউনিয়নের। প্রাথমিক শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত ছিল এ ইউনিয়নের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা।নদী বেষ্টিত আর অবহেলিত এ ইউনিয়নের শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে ১৯৪৩ সালে উত্তর বিরঙ্গল(জালালপুর) গ্রামের মনোহর মন্ডল গং ৩৩ শতাংশ জমি স্কুল প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে দান করেন। এই জমির উপরই প্রতিষ্ঠা করা হয় চরা লের প্রাথমিক শিক্ষার বাতিঘর খ্যাত একটি বিদ্যালয়।বিদ্যালয়টি হাটি হাটি পা পা করে দীর্ঘ ৭৮ বছর যাবৎ শিক্ষার আলো ছড়িয়ে ইউনিয়নটির হাজারও শিক্ষার্থীকে উচ্চ শিখড়ে দাড় করিয়ে ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক হয়ে দাড়িয়ে আছে।

Dipa
জানা যায়,সদর উপজেলার ধুরাইল ইউনিয়নের উত্তর বিরঙ্গল গ্রামের ঐতিহ্যবাহী মন্ডল বংশের গৌরব ধরে রাখতে মনোহর মন্ডল গং ৯ নং উত্তর বিরঙ্গল মৌজার এসএ ১২১২ ও ১২১৩ নং দাগে ৩৩শতাংশ জমি এলাকার কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য জমি দান করেন। বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার পর থেকে একটি টিনের ঘরের মধ্যে ক্লাস শুরু হয়। নদী বেষ্টিত ধুরাইল ইউনিয়নের চরা লের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আষাঢ় মাস থেকে কার্তিক মাস পর্যন্ত নৌকা ও জল কাদার মধ্যে দিয়ে নিয়মিত বিদ্যালয়ে যাতায়াত করতে হয়েছে। প্রতিষ্ঠার দিক থেকে এই ইউনিয়নের মধ্যে এ বিদ্যালয়টি দ্বিতীয়। এই বিদ্যালয় থেকে অধ্যায়ন করে ধুরাইল ইউনিয়নের অসংখ্য ব্যক্তি সচিব থেকে শুরু করে উচ্চ পদস্থ পদে চাকুরী করেছেন এবং এখনও উচ্চপদে অনেকে চাকুরীতে কর্মরত আছেন।শিক্ষার আলোয় উদ্ভাসিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির অবকাঠামো উন্নয়ন ও লেখা পড়ার মান উন্নয়ন দেখে উচ্চসিত এ বিদ্যালয়ের প্রাক্তণ শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী।

Gate
এ বিদ্যালয়েরই একজন প্রাক্তণ ছাত্রী দীপা রানী মন্ডল। তিনি এই বিদ্যালয় থেকে প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করে রাজৈর উপজেলার বাজিতপুর ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী রাজকুমার এডওয়ার্ড ইনস্টিটিউশন থেকে মাধ্যমিক পাস করে ১৯৯৩ সালে একই ইউনিয়নের দাসেরচর রেজিঃ বেসরকারি বিদ্যালয়ে শিক্ষকতায় যোগদান করেন। তিনি প্রমত্তা আড়িয়াল খাঁ নদী খেয়া নৌকায় পার হয়ে নিয়মিত বিদ্যালয়ে যাতায়াত করেছেন। খেয়া নৌকা যথা সময়ে না পাওয়ায় অনেক সময় ঝড়-বৃষ্টির মধ্যে চরা লে নদীর পাড়ে খেয়া নৌকার জন্য অপেক্ষা করতে হয়েছে দীর্ঘ সময়।এমনও দিন তার অতিবাহিত হয়েছে যে তিনি খেয়া নৌকায় পার হওয়ার সময় প্রচন্ড ঢেউয়ের মুখে পড়ে দুর্ঘটনায় পড়তে হয়েছে। এতেও তিনি দমে থাকেননি। দীপা রানী মন্ডল দীর্ঘ ২৫ বছর দাশেরচর রেজিঃ বেসরকারি বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা শেষে ২০১৮ সালে তার নিজ অধ্যয়নকৃত বিদ্যালয়ে বদলী হয়ে আসেন এবং ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বিদ্যালয়টির অবকাঠামো ও শিক্ষার মান উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি বিদ্যালয়টির নতুন ভবন স্থাপন,ওয়াশব্লক নির্মাণ,বিদ্যালয়ের মাঠ ভরাট ও স্কুলের বাউন্ডারী নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট অফিসের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ করেছেন।এরই মধ্যে সরকার কর্তৃক ৫ কক্ষ বিশিষ্ট বিদ্যালয়ের একটি দ্বিতল ভবন নির্মাণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। ওয়াশব্লকের নির্মাণ কাজও প্রায় সম্পন্ন হওয়ার পথে। বিদ্যালয়ের মাঠ ভরাট ও স্কুলের বাউন্ডারী নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট অফিসের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে আসছেন। তিনি এ বিদ্যালয়ে আসার পর মেধাবী শিক্ষার্থী,শ্রেষ্ঠ শিক্ষক,সভাপতি ও বদলীজনিত বিদায়ী শিক্ষকের সংবর্ধনা এবং জাকজমকতার মধ্যে দিয়ে বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করে আসছেন।তিনি বৈশ্বিক মহামারী করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ কালে শিক্ষার্থীদের বাড়ী বাড়ী গিয়ে লেখা পড়ার খোঁজ খবর নিয়েছেন।তিনি শিক্ষার্থীদের সাথে গুগল মিটে ক্লাস নিয়েছেন। তিনি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওয়ার্কশীট দেওয়া ও নেওয়ার ব্যাপারেও কঠোর পরিশ্রম করেছেন। তিনি এ বিদ্যালয়ে যোগদানের পর থেকে পিইসি পরীক্ষায় শিক্ষার্থীরা কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফল অর্জন করে আসছেন। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ কমতে শুরু করলে ১২ সেপ্টেম্বর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার আগে তিনি বিদ্যালয়ের কক্ষগুলো একাধিকবার পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করেছেন। তিনজন শিক্ষকের মধ্যে একজন শিক্ষক মাতৃত্বকালীন ছুটিতে থাকায় ২জন শিক্ষক কর্মরত আছেন বর্তমানে। বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক শওকত আলীকে নিয়ে নিজ হাতে বিদ্যালয়ের শ্রেণি কক্ষ থেকে শুরু করে পুরো ভবনটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে রাখছেন। শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া ও মনোরম পরিবেশ সৃষ্টিতে সহকারি শিক্ষক শওকত আলীও সার্বক্ষনিক সহযোগিতা করছেন প্রধান শিক্ষককে।

Corner
তিনি বিদ্যালয়ের সামনে নিজস্ব উদ্যোগে শেখ রাসেল কচিকাঁচা সড়ক ও বঙ্গবন্ধু পুষ্পকানন নির্মাণ করেছেন। বিদ্যালয়ের প্রবেশ দ্বারে একটি দৃষ্টিনন্দন গেট তৈরি করেছেন।গেটটি নিলকন্ঠ ফুল গাছের লতায় আকর্ষনীয় করে তুলেছে। এছাড়াও নবনির্মিত বিদ্যালয় ভবনের শ্রেণিকক্ষসহ বিভিন্ন স্থানে পবিত্র কোরআন,আল হাদিস,শ্রীমদ্ভগবদ গীতা,বেদ,উপনিষদ,মুনি,ঋষি ও সাহিত্যিকদের অমিয় বানী,ইংরেজী ও বাংলা বর্ণমালা এবং আল্পনা একে জেলায় সাড়া জাগিয়েছেন। তিনি প্রাক-প্রাথমিকের কক্ষটিকেও আরো দৃষ্টিনন্দন করে তুলেছেন।তিনি দ্বিতল ভবনের সিড়ির দুই পাশে লাগিয়েছেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান,প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি। এছাড়াও মুক্তিযুদ্ধ কর্ণার,বঙ্গবন্ধু কর্ণার,জাতীয় স্মৃতি সৌধ,শহিদ মিনারসহ বিভিন্ন দৃশ্য একে শিক্ষার্থীদের মন জয় করেছেন। তার এই ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ জেলায় যথেষ্ট সুনাম কুড়িয়েছে। বিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু পুষ্পকানন,আল্পনা ও অমীয় বানী দেখার জন্য বিভিন্ন স্থানের লোকজন নিয়মিত আসছেন এবং ভিডিও ও ছবি তুলে নিচ্ছেন। বিদ্যালয়টি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য সার্বক্ষণিক কাজ করে যাচ্ছেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা দীপা রানী মন্ডল। বঙ্গবন্ধু পুষ্পকাননে রোপন করা হয়েছে শিউলি,বেইলি,হাসনাহেনা,গোলাপী রঙ্গন,লাল রঙ্গন,রক্ত জবা,ঝুমকা জবা,পুনে জবা,টগর,মিনি টগর,সকাল-সন্ধ্যা,গন্ধরাজ,মৌচন্দ্রা,বেগুনি চেরি,মনুন্দা,বাগান বিলাস,গাঁদাসহ বিভিন্ন প্রজাতির ফুলের গাছ লাগিয়েছেন। এছাড়াও তিনি ফলজ ও বনজ বৃক্ষের চারা রোপন করেছেন। তিনি কোমলমতি শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার মানোন্নয়নে আপ্রান চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।তিনি বিভিন্ন হর্টিকালচার থেকে ফুলের চারা সংগ্রহ অব্যাহত রেখেছেন।

School-Pic

বিদ্যালয়ের প ম শ্রেণির ছাত্র অর্ক মন্ডল জানায়,দীর্ঘ দেড় বছর পর বিদ্যালয়ে আসতে পেরে খুব ভালো লাগছে।বিদ্যালয়ের মনোরম দৃশ্য দেখে আরো ভালো লেগেছে। আমরা মাস্ক পড়ে নিয়মিত বিদ্যালয়ে আসছি এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে স্যার ক্লাস করাচ্ছেন।

বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র আওয়ামী লীগ নেতা মোঃ হাবিবুর রহমান হাওলাদার বলেন,বিদ্যালয়টি ৭৮ বছর যাবৎ শিক্ষার আলো ছড়িয়ে আসছে। প্রধান শিক্ষক দীপা রানী মন্ডল তার হৃদয় নিগড়ানো ভালবাসা দিয়ে বিদ্যালয়টিকে নতুন আঙ্গিকে সাজিয়ে সকলের মন আকৃষ্ট করেছেন। প্রধান শিক্ষককে ফুলেল শুভেচ্ছা জানাই।

বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র ও ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি হাজী সুলতান হোসেন মাতুব্বর বলেন,৬৯নং উত্তর বিরঙ্গল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি হচ্ছে ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক। বিদ্যালয়টির অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি এই বিদ্যালয়েরই প্রাক্তন ছাত্রী প্রধান শিক্ষক(ভারপ্রাপ্ত) দীপা রানী মন্ডলের অক্লান্ত পরিশ্রমে বিদ্যালয়টি শিক্ষার বিনোদন কেন্দ্রে পরিনত হয়েছে।আমি এই ধরনের ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগের জন্য প্রধান শিক্ষককে অভিনন্দন জানাই।

বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আহাদুজ্জামান মৃধা জানান,বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দীপা রানী মন্ডলের অক্লান্ত পরিশ্রমে বিদ্যালয়টি মডেল হয়ে দাড়িয়েছে।বিদ্যালয়টি শিক্ষার আলোক বর্তিকা হয়ে এগিয়ে যাবে এই কামনা করছি।

ধুরাইল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ মাহবুব হাওলাদার বলেন,ঐতিহ্যবাহী বিদ্যালয়ের ঐতিহ্য ধরে রাখতে মহতী উদ্যোগ গ্রহন করায় শুভ কামনা জানাচ্ছি প্রধান শিক্ষককে।

মাদারীপুর সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ওবাইদুর রহমান খান বিদ্যালয়টি পরিদর্শনে এসে বিদ্যালয়ের দৃষ্টিনন্দন মনোরম দৃশ্য,বঙ্গবন্ধু পুষ্পকানন ও শেখ রাসেল কচিকাঁচা সড়ক দেখে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন এবং প্রধান শিক্ষকের এ ধরনের ব্যতিক্রম ধর্মী উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন। এছাড়াও তিনি বিদ্যালয় মাঠ ভরাটের আশ্বাস দিয়েছেন।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপাপ্ত) দীপা রানী মন্ডল জানান,আমি একজন শিক্ষক। আমার দায়িত্ব ও কর্তব্য যথাযথভাবে পালন করছি। বিশেষ করে আমি এই বিদ্যালয়ের একজন ছাত্রী। বিদ্যালয়টির হাজারো শিক্ষার্থী দেশের বিভিন্ন স্থানে উচ্চ পদে আসীন আছেন। বিদ্যালয়টির ঐতিহ্য ধরে রাখার জন্য কাজ করে যাচ্ছি।আমার স্বপ্ন ছিল বিদ্যালয়টিকে মনের মতো সাজানোর। সেই আলোকেই কাজ করে যাচ্ছি।

এ ব্যাপারে মাদারীপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নাসিরউদ্দিন আহমেদ বলেন,৬৯নং উত্তর বিরঙ্গল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দীপা রানী মন্ডল অতিমারী করোনার পুরো সময়টা প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। তিনি বিদ্যালয় ভবনটিকে দৃষ্টিনন্দন করার জন্য নিরলসভাবে কাজ করেছেন। তিনি নিজস্ব উদ্যোগে বঙ্গবন্ধু পুষ্পকানন,শেখ রাসেল কচিকাঁচা স্কুল সড়ক ও একটি দৃষ্টিনন্দন গেট নির্মাণ করে গোটা জেলায় প্রশংসা কুড়িয়েছেন। একজন মানুষ গড়ার কারিগর হিসাবে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া করানোর পাশাপাশি ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ গ্রহন করায় আমি আমার বিভাগের পক্ষ থেকে তাকে ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানাচ্ছি।

Comments

comments

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

add 720x200

Leave a Reply




add 300x600

উন্নয়ন সহযোগীতায়ঃ- সেভেন ইনফো টেক