শুক্রবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৩, ০৭:৩৪ অপরাহ্ন

নোটিশঃ-
রাজৈর নিউজ অনলাইন পত্রিকার পক্ষ থেকে আপনাদের স্বাগতম। নিত্যনতুন সকল সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন।ফেসবুক পেইজ থেকে আমাদের নিউজে চোখ রাখুন:- https://www.facebook.com/rajoirnews  তাছাড়া সংবাদ এর ভিডিও দেখুন ইউটিউব থেকে  BanglaNews Tube
সর্বশেষ সংবাদঃ-
বীর মুক্তিযোদ্ধা ইলিয়াস আহমেদ চৌধুরী গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে মাদারীপুর সদর উপজেলা চ্যাম্পিয়ন রাজৈরে কবিরাজপুর শিহাব মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৪০ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও এসএসসি-৯৭ ব্যাচের পূনর্মিলনী অনুষ্ঠিত রাজৈরে দেড় শতাধিক শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ একসাথে ৪ সন্তানের জন্ম দিলেন গৃহবধূ পিংকি রাজৈরে মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিসৌধ ও প্রতিবন্ধী স্কুলের ভবন উদ্বোধন বইমেলায় আসছে সাজ্জাদ হোসেনের ‘নক্ষত্রের শোকবার্তা’ নির্মানাধীন পদ্মা রেল সেতু পরিদর্শনে রেল মন্ত্রী , জুনেই ঢাকা-ভাঙ্গা রেল চালুর ঘোষনা পুনরায় আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় মাদারীপুরের রাজৈরে শাজাহান খানকে সংবর্ধনা বিএনপি নেতা আনিসুর রহমান খোকন তালুকদার রাজৈরে শংকর্দীরপাড় পাট্টাবুকা এলাকা থেকে ইয়াবাসহ নারী মাদক ব্যবসায়ী আটক
রাজৈরে আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘর বিক্রি, ইউএনও’র ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস

রাজৈরে আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘর বিক্রি, ইউএনও’র ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস

Rajoir Govt House Sale Pic(2)-5.12.22

add 720x200

আকাশ আহম্মেদ সোহেল: মাদারীপুরের রাজৈরে আশ্রয়ন প্রকল্পের একটি জায়গা সহ ঘর বিক্রি করে দিয়েছে বরাদ্দপ্রাপ্ত মালিক আছমা বেগম ও তার স্বামী আকবর মিয়া। তারা উপজেলার খালিয়া ইউনিয়নের বৌলগ্রাম এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা। তাদের এক ছেলে লিবিয়া প্রবাসী বলে জানা গেছে। ক্রেতার দাবি ৮০ হাজার টাকার বিনিময়ে তাকে থাকতে দিয়েছে। তবে অভিযুক্ত আকবর দোষ চাপাচ্ছেন তার ভাইয়ের উপর। এদিকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের অক্টোবর মাসে আশ্রয়ন-২ প্রকল্পের আওতায় উপজেলার সুইসগেট এলাকার নদীর পাড়ে ১৯টি জায়গাসহ ঘর বরাদ্দ দেওয়া হয়। এরমধ্যে একটি ঘর পায় উপজেলার বৌলগ্রামের লিবিয়া প্রবাসী আরমান মিয়ার(২০) মা আছমা বেগম ও বাবা আকবর মিয়া। পরে ৮০ হাজার টাকার বিনিময়ে একই এলাকার মৃত তাজেল মোল্লার স্ত্রী রোকেয়া বেগমের(৭৫) কাছে বিক্রি করে দেয় তারা। রোকেয়ার দুই ছেলেও ইতালি প্রবাসী বলে জানা গেছে। এছাড়াও ক্ষমতা ও অর্থ বলে এই আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘর আরো অনেকেই পেয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

ক্রেতা রোকেয়া বেগম জানান, এই ঘরে থাকার জন্য আকবরকে ৮০ হাজার টাকা দিছি। কিন্তু কিনি নাই। আমার বাড়ির পাশেই তার বাড়ি।

এ ব্যাপারে ঘর বিক্রেতা অভিযুক্ত আকবর মিয়া জানান, আমি ঘর বিক্রি করি নাই। ঢাকা থেকে এসে শুনি আমার বড় ভাই ওই ঘরে একজনকে থাকতে দিছে। কিন্তু কোন টাকা নেছে কিনা জানিনা। ঘটনাটি শুনে আমি তাকে ঘর ছেড়ে দিতে বলছি।

রাজৈর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আনিসুজ্জামান বলেন, ঘটনাটি তদন্ত করে দেখবো। যদি সত্য হয় তাহলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সরকারের বন্দবস্ত দেওয়া কোন ঘর বা জায়গা কেউ বিক্রি করতে পারবে না। তবে ব্যবহার করতে পারবে।

Comments

comments

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

add 720x200

Leave a Reply




add 300x600

উন্নয়ন সহযোগীতায়ঃ- সেভেন ইনফো টেক