সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:১৮ অপরাহ্ন

নোটিশঃ-
রাজৈর নিউজ অনলাইন পত্রিকার পক্ষ থেকে আপনাদের স্বাগতম। নিত্যনতুন সকল সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন।ফেসবুক পেইজ থেকে আমাদের নিউজে চোখ রাখুন:- https://www.facebook.com/rajoirnews  তাছাড়া সংবাদ এর ভিডিও দেখুন ইউটিউব থেকে  BanglaNews Tube
সর্বশেষ সংবাদঃ-
নানা আয়োজনের মধ্যে দিয়ে মাদারীপুরে ফিজিওথেরাপি দিবস উদযাপন করা হয় ফিজিওথেরাপিস্ট হিসেবে অনন্য ভূমিকা রেখে চলেছেন মাদারীপুরের ডাঃ সুমন বিশ্বাস অসাম্প্রদায়িক চেতনা আর অহিংস নীতিতে বাংলার লোক সংস্কৃতি রামায়ন ও কবি গান পরিবেশন করে মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন মৃনাল সরকার প্রতারক লাবনীর ফাঁদে দুই শ্রেণির পেশাজীবী, নিঃস্ব হওয়ার অভিযোগ বাইক রাইডার ও স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের রাজৈরে ৫০০ পিস ইয়াবাসহ নারী গ্রেপ্তার রাজৈরে পানিতে পড়ে ৫ বছর বয়সী দুই জমজ বোনের মৃত্যু রাজৈরে স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে পরিচ্ছন্নতা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি রাজৈরে পুরুষদের বিরুদ্ধে এক নারীর একাধিক মিথ্যা মামলা, অতিষ্ঠ হয়ে ৩ পরিবার ভারতে রাজৈরে আওয়ামী লীগ থেকে অব্যাহতি নিলেন ইউপি চেয়ারম্যানসহ ১২ জন রাজৈরে বিশ্ব রক্তদাতা দিবসে র‍্যালি, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ রাজৈরে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও মেম্বারসহ আওয়ামীলীগের শতাধিক নেতাকর্মীর বিএনপিতে যোগদান
ছবির শুটিংয়ে এসে শিবচরের দৃষ্টিনন্দন স্থাপনা দেখে নায়ক ফেরদৌসের মুগ্ধতা , ফেসবুকে ২টি ভিডিও পোস্ট

ছবির শুটিংয়ে এসে শিবচরের দৃষ্টিনন্দন স্থাপনা দেখে নায়ক ফেরদৌসের মুগ্ধতা , ফেসবুকে ২টি ভিডিও পোস্ট

Shibchar Ferdous-4

শিবচর প্রতিনিধি : “দখিন দুয়ার” নামক একটি ছবির শুটিং এ এসে শিবচর উপজেলা নিয়ে মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত চিত্রনায়ক ফেরদৌস। জনপ্রিয় এই নায়ক শিবচরের পরিকল্পিত উন্নয়ন,মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষনে অসংখ্য ভাষ্কর্য,মুঢ়্যালসহ নানামুখী উদ্যোগ, সংস্কৃতির জন্য বিভিন্ন স্থাপনা দেখে চীফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরীকে দৃষ্টান্ত বলে উল্ল্যেখ করেন সাংবাদিকদের কাছে। বরেন্য এই অভিনেতা শুটিং এর ফাকে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। তিনি শিবচরকে বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ উপজেলা বলে উল্ল্যেখ করেন। ইতোমধ্যেই ফেরদৌস শিবচরের বিভিন্ন দৃষ্টিনন্দন এলাকা ঘুরে ২টি ভিডিও তার ফেসবুকে পোষ্ট করেছেন। পোষ্টে তিনি লিখেছেন পদ্মা পাড়ের শিবচর অসাধারন সুন্দর এক শহর। এজন্য তিনি চীফ হুইপকে ধন্যবাদ জানান। “দখিন দুয়ার” সিনেমাটি পদ্মা পাড়ের মানুষসহ দক্ষিণা লের মানুষের জীবন সংগ্রাম ,পদ্মা সেতুর আগের দৃশ্যপট-বর্তমান দৃশ্যপট, উন্নয়ন চিত্র নিয়ে শুটিং চলছে মাদারীপুরের শিবচরের পদ্মার পাড়ে। সৈয়দ অহিদুজ্জামান ডায়মন্ডের পরিচালনায় নির্মিত সিনেমাটিতে অভিনয় করছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেতা ফেরদৌস, অভিনেত্রী সিমলা ও অধরা খানসহ অনেক গুনী শিল্পীরা। সিনেমায় দক্ষিনা লের মানুষের জীবনধারা তুলে ধরতে পদ্মা পাড়ের শিবচর উপজেলাকে বেছে নিয়েছেন পরিচালক। শুটিং স্পট হিসেবে বেছে নেয়া হয়েছে শিবচরের কাঠালবাড়ি পুরাতন ফেরি ঘাটের নদী পাড়ের একটি বাড়িসহ বিভিন্ন এলাকা।

নায়ক ফেরদৌস বলেন, পদ্মা সেতু পাড় হয়ে এই প্রথম শুটিংয়ে আসলাম। সেতু উদ্বোধনের সময় এসেছিলাম। এর আগেতো পদ্মা পাড়ি দিয়ে এই এলাকায় শুটিং করার কথা চিন্তাও করতাম না। আমরা বেশিরভাগ সময়ে প্লেনে চড়ে যশোরসহ দক্ষিনা লের কয়েকটি জায়গায় গিয়েছি। এদিকে আসা ছিল একটি কঠিন কাজ। ফেরি পাড় হয়ে প্রচুর সময় নষ্ট করে তারপর আসা লাগতো বলে কখনোই আমার আসা হয়নি। এখানে এসে আমি খুবই বিস্মিত। কারন অসাধারন জায়গা শিবচর। যেখানে আমরা আছি এই শিবচরকে আমার কাছে মনে হচ্ছে বাংলাদেশের মধ্যে একটি বেষ্ট উপজেলা। এত সাজানো গোছানো উপজেলা আর দেখিনি। এখানকার মানুষগুলো খুব বন্ধুসূলভ। অনেক মজার মজার বিষয় এখানে দেখলাম। সর্বপরী আমরা এখানে “দখিন দুয়ার” নামের পরিচালক ডায়মন্ড ভাইয়ের একটি সিনেমায় কাজ করতে এসেছি। ওয়াহিদুজ্জামান ডায়মন্ড ভাইয়ের সাথে এটা আমার তৃতীয় সিনেমা। প্রথম করেছিলাম গঙ্গাযাত্রা, তারপর অর্ন্তধান। আর এখন দখিন দুয়ার।

জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্ত এই চিত্র নায়ক বলেন, এক কথায় শিবচর একটি অসাধারন উপজেলা। আমি নিজে শিবচরের ৭১ চত্ত্বর, স্বাধীনতা চত্ত্বর, লালন ম সহ বেশ কয়েকটি জায়গায় গিয়ে ছবি তুলেছি। আমি আমার ফেসবুক পেজে এগুলো পোষ্ট করবো। শিবচকে দেখে আমার চমৎকার অভিজ্ঞতা হচ্ছে। একজন নেতা চাইলে যে সে তার শহরকে, গ্রামকে, নগরকে যে কোন লেভেলে নিয়ে যেতে পারে তার একটি দৃষ্টান্ত হচ্ছে চীফ হুইপ লিটন ভাই। তার আন্তরিকতায় কোন কমতি নেই। আমরা যে জায়গায় আছি সেই উপজেলা পরিষদ এলাকার আশপাশ ঘিরে যে সৌন্দর্য বৃদ্ধি করেছেন, মুক্তিযুদ্ধময় যে সব মুর‌্যাল তৈরি করেছেন তা বিরল। আমি মনে হয় এর আগে বঙ্গবন্ধুর এত মুর‌্যাল আর কখনো দেখিনি। অন্য জায়গায় একটি দুটি থাকে কিন্তু এখানে প্রতিটি মোড়ে মোড়ে মুক্তিযুদ্ধকে এত শ্রদ্ধা আমার সত্যি ভাল লেগেছে। শিবচরে আমাদের সংস্কৃতিকেও তুলে ধরা হয়েছে। এখানে একটি লালন ম রয়েছে, রবীন্দ্র সরোবর রয়েছে এগুলো এখানে খুব সুন্দরভাবে সংরক্ষন করা হয়েছে। একজন মানুষের মধ্যে শিল্পী মন, শিল্পীর প্রতি ভালবাসা, দেশের প্রতি অগাধ ভালবাসা না থাকলে এইভাবে উন্নয়ন করা সম্ভব না।

সিনেমার গল্প জানাতে গিয়ে ফেরদৌস বলেন, পরিচালক ডায়মন্ড ভাই মানে অন্য কিছু। এবারও তার ব্যতিক্রম হবে না। এবারও দর্শক আলাদাভাবে পাবে। এর আগে এমনভাবে পায়নি। একেবারেই অন্যভাবে পাবে। আমরা পদ্মা পাড়ের শিবচরের উন্নয়ন, শিবচরের মানুষের জীবনযাত্রা, পদ্মা সেতু হওয়ার আগে এখানকার মানুষের অবস্থা, বর্তমান অবস্থা এই সবকিছু মিলিয়েই সিনেমার গল্পটি তৈরি করা হয়েছে। দখিন দুয়ার খুলে গেলো। বাংলাদেশের উন্নয়নের যে ধারা আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী করছেন তা দক্ষিনা লের সাথে সংযোগই হচ্ছে এই পদ্মা সেতু। সিনেমাটিরও এমনই একটা গল্প যে দখিন দুয়ার খুলে গেলো। বাকিটা সিনেমা হলেও দেখা যাবে। দখিন দুয়ার সিনেমাটি আমি চাই মানুষ যেন সিনেমা হলে গিয়ে দেখে।

ফেরদৌস আরো বলেন, আমি যে কয়েকদিন ধরে এখানে আছি আমার চোখে কিন্তু কোন সিনেমা হল পড়েনি। আমার অনুরোধ থাকবে এখানে যেন একটি সিনেপ্লেক্স তৈরি করা হয়। কারন আমরা এখন যে সিনেমাগুলো নির্মান করছি তা সিনেপ্লেক্সের। আমার মনে হয় এই এলাকার কর্তা মাননীয় চীফ হুইপ লিটন ভাই যদি এখানে একটি সিনেপ্লেক্স করেন তাহলে আমরা জাকজমকপূর্নভাবে শো করে যেতে পারবো।

Comments

comments

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply




উন্নয়ন সহযোগীতায়ঃ- সেভেন ইনফো টেক