বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ০১:৪৭ পূর্বাহ্ন
রাজৈর প্রতিনিধি: মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক কাজী জাহিদুর রহমান লেবুর বিরুদ্ধে রাতের আধারে স্যানিটারী সামগ্রী (রিং স্লাব) ভাংচুর, লুটপাট ও জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে। এর প্রতিকার চেয়ে মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার টেকেরহাট বন্দরে রাজৈর উপজেলা প্রেসক্লাবের স্থায়ী কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন ভুক্তভোগী সাবেক কাউন্সিলর মো. গিয়াস উদ্দিন মিয়া।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক কাজী জাহিদুর রহমান লেবু তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, অভিযোগকারী সাবেক কাউন্সিলর মো. গিয়াস উদ্দিন মিয়া একজন আওয়ামীলীগ নেতা এবং হত্যা মামলার আসামী । সে ১৭ বছর আমার ১২ শতাংশ জায়গা ভাড়া না দিয়ে জোর করে ভোগ করে আসছিল। এ নিয়ে শালিশ বৈঠকে তাকে জায়গা ছেড়ে দিতে বলেছে । কিন্তু সে ছাড়েনি।
সংবাদ সম্মেলনে রাজৈর পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মো. গিয়াস উদ্দিন মিয়া অভিযাগ করে বলেন, আমি দীর্ঘ ৩২ বছর যাবত রাজৈর বাজারে ৭৯ নং রাজৈর মৌজায় ৬৭০০ নং দাগে সাড়ে ৪ শতাংশ জায়গায় দোকান (রিং স্লাবের ব্যবসা) করে আসছি। সেখানে আমার প্রতিবেশী রাজৈর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক কাজী জাহিদুর রহমান লেবু তার লোকজন নিয়ে রাতের অন্ধকারে আমার তৈরী করে রাখা রিং স্লাব ভাংচুর ও লুটপাটের তান্ডব চালায়। এসময় আমার একচালা একটি টিনের ঘর ভেঙে নিয়ে গেছে। একই সঙ্গে রিং স্লাবের সব মালামাল ভাংচুর করে সকল খাম-খুটিসহ বেশ কয়েকটি ডাইস নিয়ে যায়। পরে চরিদিকে খুটি গেড়ে বাশের প্রাচীর দিয়ে আমার জায়গা তার দখলে রেখেছে। আমি বাধা দিতে গেলে সে আমাকে স্ব-পরিবারে হত্যার হুমকি দেয়। তাদের অত্যাচারে আমরা থাকতে পারছি না। আমি অন্তবর্তীকালীন সরকারের কাছে সহযোগিতা চাই, আমরা যেন এই দেশে শান্তিপূর্নভাবে বসবাস করতে পারি।
তিনি আরও বলেন, ওই দাগে মোট ১৫ শতাংশ জায়গা আছে। এর মধ্যে ৮.৩৫ শতাংশ জায়গা কাজী জাহিদুর রহমান লেবুর এবং ৪.৫০ শতাংশ জায়গা আমার। বাকি জায়গা মাদারীপুর-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শাজাহান খানের।