বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ০১:৪৭ পূর্বাহ্ন
এ বিষয়ে ইউপি সদস্যর স্বামী আহত তোতা মাতুব্বর বলেন, হামলাকারীদের রাম দায়ের কোপে আমার হাতের তিনটি আঙুল কেটে গেছে। হাসপাতালে গেলে সেখানেও আমাদের উপরে তারা আবারও হামলা করে। পরে পুলিশ এসে আমাদের রক্ষা করে ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করে দেয়। এর উপযুক্ত বিচার দাবি করছি।
ভুক্তভোগী ইউপি সদস্য রেবেকা বেগম বলেন, সরকারি টাকায় তৈরী রাস্তার ইট তুলে নিয়ে যাচ্ছিল কলিসহ তাদের লোকজন। এসময় আমরা বাধা দেই। এজন্য ক্ষিপ্ত হয়ে তারা দলাবদ্ধভাবে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আমাদের ওপর হামলা চালায় এবং আমার স্বামীকে পিটিয়ে কুপিয়ে আহত করে। আমাকেও মারধর করে। এছাড়া আমার গলায় থাকা স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নিয়ে যায়। কিছু দিন আগে চাঁদা চেয়েছিল। না পেয়ে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে এ ঘটনা ঘটিয়েছে। সরকারের কাছে সরকারি সম্পদ রক্ষা ও আমাদের উপর হামলার উপযুক্ত বিচার দাবি করি।
এ বিষয়ে অভিযুক্তদের মতামত জানার চেষ্টা করলেও তাদের পাওয়া যায়নি। এছাড়া কাইয়ুম হাওলাদারের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
রাজৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আমিনুল ইসলাম ঢাকা পোস্টকে বলেন, রাস্তার ইট তোলাকে কেন্দ্র করে ইউপি সদস্যর স্বামীকে মারধরের ঘটনা ঘটে। পরে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসলে তাদের বাধা দেওয়া হয়। এসময় খবর পেয়ে পুলিশ পাঠিয়ে আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত সাপেক্ষে অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।