মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:০৫ অপরাহ্ন

নোটিশঃ-
রাজৈর নিউজ অনলাইন পত্রিকার পক্ষ থেকে আপনাদের স্বাগতম। নিত্যনতুন সকল সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন।ফেসবুক পেইজ থেকে আমাদের নিউজে চোখ রাখুন:- https://www.facebook.com/rajoirnews  তাছাড়া সংবাদ এর ভিডিও দেখুন ইউটিউব থেকে  BanglaNews Tube
সর্বশেষ সংবাদঃ-
নানা আয়োজনের মধ্যে দিয়ে মাদারীপুরে ফিজিওথেরাপি দিবস উদযাপন করা হয় ফিজিওথেরাপিস্ট হিসেবে অনন্য ভূমিকা রেখে চলেছেন মাদারীপুরের ডাঃ সুমন বিশ্বাস অসাম্প্রদায়িক চেতনা আর অহিংস নীতিতে বাংলার লোক সংস্কৃতি রামায়ন ও কবি গান পরিবেশন করে মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন মৃনাল সরকার প্রতারক লাবনীর ফাঁদে দুই শ্রেণির পেশাজীবী, নিঃস্ব হওয়ার অভিযোগ বাইক রাইডার ও স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের রাজৈরে ৫০০ পিস ইয়াবাসহ নারী গ্রেপ্তার রাজৈরে পানিতে পড়ে ৫ বছর বয়সী দুই জমজ বোনের মৃত্যু রাজৈরে স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে পরিচ্ছন্নতা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি রাজৈরে পুরুষদের বিরুদ্ধে এক নারীর একাধিক মিথ্যা মামলা, অতিষ্ঠ হয়ে ৩ পরিবার ভারতে রাজৈরে আওয়ামী লীগ থেকে অব্যাহতি নিলেন ইউপি চেয়ারম্যানসহ ১২ জন রাজৈরে বিশ্ব রক্তদাতা দিবসে র‍্যালি, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ রাজৈরে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও মেম্বারসহ আওয়ামীলীগের শতাধিক নেতাকর্মীর বিএনপিতে যোগদান
রাজৈরের টেকেরহাটে মেয়রের বিরুদ্ধে স্থানীয় প্রভাব খাটিয়ে বাজারের সরকারি টলঘর ও স্থাপনা ভেঙ্গে দেয়ার অভিযোগ

রাজৈরের টেকেরহাটে মেয়রের বিরুদ্ধে স্থানীয় প্রভাব খাটিয়ে বাজারের সরকারি টলঘর ও স্থাপনা ভেঙ্গে দেয়ার অভিযোগ

Babu Howlader

আকাশ আহম্মেদ সোহেলঃ মাদারীপুরের রাজৈরে স্থানীয় প্রভাব খাটিয়ে বিবাদমান জমির একাধিক স্থাপনাসহ সরকারি দুটি টলঘর ভেঙ্গে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে পৌর মেয়র নাজমা রশীদের বিরুদ্ধে। একই সাথে অবৈধভাবে নতুন করে মার্কেট নির্মাণ করারও পায়তারা চলছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী প্রবাসী মিজবাউল ইসলাম বাবু হাওলাদার।সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, তার পিতা মাইনুদ্দিন হাওলাদারের মৃত্যুর পরে ওয়ারিশ সূত্রে ৫০ নং নশিপুর মৌজার সাবেক ৩৫২ দাগের ১ একর ২৫ শতাংশ জমিটির মালিক হন তারা। পরবর্তীতে জমিটি ৩৫২ থেকে ভেঙে ১৩/১৪ টি দাগে বিভক্ত হয়। সেই জমি থেকে ৯ শতাংশ জমি বিক্রি করেন তার বড় ভাই মহিউদ্দিন হাওলাদার (মনি) এবং ১৯৮৬ সালে অনুরোধ সাপেক্ষে কিছু অংশ নিয়ে সরকারি ভাবে মাছ ও মাংস বাজারের দুটি টল ঘর নির্মাণ করেন ততকালীন জেলা প্রশাসক আব্দুর রশীদ। সেই দাগের বাকি জমিটি এক কালো শক্তির ইশারায় খাস খতিয়ানে চলে যায়। পরে ২০১২ সালে সরকার ঘোষণা দিলে জমি ফিরে পেতে মামলা দায়ের করেন তারা। সেই মামলা এখনো চলমান রয়েছে। খাস জমি হিসেবে সেই জমি লিজ নিতে পায়তারা করে পৌরসভা। জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে একটি আবেদনও করা হয় ভূমি মন্ত্রণালয় বরাবর। ভূমি মন্ত্রণালয় হতে বিভাগীয় কমিশনারের নিকট থেকে লিজ নিতে বলা হয়। কিন্তু লিজ না নিয়েই বিবাদমান সেই জমিতে থাকা একাধিক স্থাপনা ও দুটি সরকারি টলঘর টেন্ডার ছাড়াই ভেঙে গুড়িয়ে দেয়া হয়। পরে জেলা প্রশাসনের সাথে আঁতাত করে ও স্থানীয় প্রভাবশালীদের সাহায্যে সেখানে মার্কেট নির্মাণ করে নিজ বানিজ্য চালানোর চেষ্টা করছে পৌর মেয়র নাজমা রশিদ। এসময় সরকারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে দাবি করে ভুক্তভোগী বলেন, মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত যেন জেলা প্রশাসন জমিটি লিজ না দেয়। আর লিজ না নিয়েই সেখানে যেন অবৈধভাবে মার্কেট নির্মাণ না করে পৌরসভা।

Comments

comments

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply




উন্নয়ন সহযোগীতায়ঃ- সেভেন ইনফো টেক