বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:১৯ অপরাহ্ন

নোটিশঃ-
রাজৈর নিউজ অনলাইন পত্রিকার পক্ষ থেকে আপনাদের স্বাগতম। নিত্যনতুন সকল সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন।ফেসবুক পেইজ থেকে আমাদের নিউজে চোখ রাখুন:- https://www.facebook.com/rajoirnews  তাছাড়া সংবাদ এর ভিডিও দেখুন ইউটিউব থেকে  BanglaNews Tube
সর্বশেষ সংবাদঃ-
রাজৈরে স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে পরিচ্ছন্নতা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি রাজৈরে পুরুষদের বিরুদ্ধে এক নারীর একাধিক মিথ্যা মামলা, অতিষ্ঠ হয়ে ৩ পরিবার ভারতে রাজৈরে আওয়ামী লীগ থেকে অব্যাহতি নিলেন ইউপি চেয়ারম্যানসহ ১২ জন রাজৈরে বিশ্ব রক্তদাতা দিবসে র‍্যালি, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ রাজৈরে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও মেম্বারসহ আওয়ামীলীগের শতাধিক নেতাকর্মীর বিএনপিতে যোগদান রাজৈরে ঐতিহ্যবাহী সেন্দিয়া কুম্ভের মেলা বন্ধের প্রতিবাদে মানববন্ধন মাদারীপুরের কদমবাড়ী কুম্ভমেলায় ভক্ত সংঘের আয়োজনে বিনা মূল্যে স্বাস্থ্যসেবা ক্যাম্পের প্রশংসায় আগত ভক্তবৃন্দ লন্ডনের কাউন্সিল রিপন শেখকে সংর্বধনা এমপি, বন্ধুমহল ও এলাবাসী রাজৈরের টেকেরহাট গরুর হাট পরিদর্শনে র‍্যাব-৮, চাঁদাবাজি ও জাল টাকা প্রতিরোধে কঠোর অবস্থান টেকেরহাট বন্দরে উত্তরা ব্যাংক এর সিআরএম বুথের উদ্বোধন
রাজৈরে পুরুষদের বিরুদ্ধে এক নারীর একাধিক মিথ্যা মামলা, অতিষ্ঠ হয়ে ৩ পরিবার ভারতে

রাজৈরে পুরুষদের বিরুদ্ধে এক নারীর একাধিক মিথ্যা মামলা, অতিষ্ঠ হয়ে ৩ পরিবার ভারতে

fe6aff61-4b76-4402-9f2b-64a3799297c6

আকাশ আহম্মেদ সোহেল, মাদারীপুর: মাদারীপুরের রাজৈরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকার পুরুষদের বিরুদ্ধে একাধিক মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে বন্যা রায় নামে এক নারীর বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার সকালে রাজৈর উপজেলার কদমবাড়ি ইউনিয়নের নটাখোলা গ্রামে সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ তোলেন ভুক্তভোগীরা। এসময় মিথ্যা, বানোয়াট ও ভুয়া তথ্য দিয়ে হয়রানি মূলক মামলা থেকে অব্যাহতি পেতে পুলিশের কাছে সঠিক তদন্তের দাবি জানান তারা।

সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগীরা জানান, প্রায় দেড় মাস আগে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে ভুক্তভোগী প্রিতিস রায়ের পরিবারের সাথে বন্যা রায়ের পরিবারের কথা-কাটাকাটি হয়। পরে গত ২ জুলাই নিজের স্বামী নিতিশ রায়ের মাথা কেটে মাদারীপুর আদালতে মামলা দায়ের করেন বন্যা রায়। মামলায় নারীদের বাদ দিয়ে পলাশ রায় (৩০), কালু রায় (২৫), প্রিতিস রায় (৫০), জতিষ রায় (৪০), ক্ষিতিশ রায় (৪৫), জুয়েল রায় (১৮) সহ ৬ জনকে আসামি করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, জমিজমা দখলের উদ্দেশ্যে এর আগেও বিভিন্ন সময় তর্কবিতর্ক সহ তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে নটাখোলা গ্রামের একাধিক পরিবারের বিরুদ্ধে অন্তত ৪ টি হয়রানি মূলক মামলা করেছেন তিনি। বন্যা রায়ের এমন অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে ইতোমধ্যে প্রতিবেশী ৩ টি হিন্দু পরিবার ভারত চলে গেছেন বলেও জানান ভুক্তভোগীরা। এসব হয়রানি মূলক মামলা থেকে মুক্তি পেতে পুলিশের সঠিক তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তারা। একই সাথে মামলাবাজ ওই নারীর বিচার দাবি করেছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।

ভুক্তভোগী পলাশ রায় বলেন, আমাদের জায়গা জাল দলিল করে নিয়ে গেছে নিতিশের বাবা। পরে সেই জায়গা আবার নিতিশ ও তার স্ত্রী বন্যার নামে দলিল করে দিয়েছে। বিষয়টি আমি জানার পর আদালতে রেকর্ড সংশোধনের মামলা করেছি। এরপর পর থেকে নিতিশ ও তার স্ত্রী বন্যা আমার পরিবারের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। একাধিক বার ঝগড়া বাধিয়ে আমাদের মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে। কিছুদিন আগে একটা ৩২৬ ধারার মিথ্যা মামলা করায় আমাদের প্রায় দেড় মাস পালিয়ে থাকতে হয়েছে। কারণ তারা ভূমিদস্যু। অন্যের জায়গা দখল করে খাওয়ার জন্য এগুলো করে। স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের এ বিষয়ে কোন সমাধান পাইনি এবং তার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দিয়েও কোন ফলাফল হয়নি।
তিনি আরও জানান, বন্যা ও তার পরিবারের অত্যাচারে ৩ টি পরিবার ভারত চলে যেতে বাধ্য হয়েছে। এখন আমাদেরও এদেশ থেকে তাড়িয়ে দিয়ে চায়। তার জন্য গ্রামবাসী অতিষ্ঠ।

আরেক ভুক্তভোগী জতিষ রায় বলেন, বন্যা কথায় কথায় দা-কাঁচি নিয়ে কোপাতে আসে। আবার উল্টো মানুষের নামে মামলা দেয়। তার মিথ্যা মামলায় দেড় মাস আমি পালিয়ে ছিলাম। এই সুযোগে আমার জমির মাটি কেটে নিয়ে গেছে বন্যা ও তার পরিবার। তার মূল অস্ত্র হলো নারী নির্যাতন মামলা। আমি এর বিচার চাই।
প্রিতিস রায় বলেন, প্রশাসনের কাছে দাবি আমরা যেন মিলেমিশে সুষ্ঠু ভাবে এলাকায় বসবাস করতে পারি সেই ব্যবস্থা যেন তারা করে দেন। আমরা আর মিথ্যা মামলায় হয়রানি হতে চাই না।

এলাকার একাধিক নারীরা বলেন, তিনি (বন্যা) যা করে তা আমাদের নারী জাতির জন্য লজ্জাজনক। তার কোন ইজ্জত, মান, লজ্জা, স্বরম কিছুই নাই। মিথ্যা মামলা দেওয়ার জন্য নিজের কাপড় নিজেই টেনে ছিড়ে ফেলে পুলিশকে গিয়ে দেখায়। আর শুধু পুরুষদের মামলা দেয়। কোন নারীদের মামলা দেয় না। তার ব্যবসায়ী পুরুষদের মামলা দিয়ে হয়রানি করা। এর আগে আমাদের এলাকার ৩ টি পরিবারকে অত্যাচার করে ভারত পাঠাই দেছে। এখন যারা দেশে আছে তারাও শান্তিতে বসবাস করতে পারতেছে না। সে বলে আমি মামলা করলে আমার এক টাকাও লাগে না।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাজৈর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) কুতুবউদ্দিন আহমেদ বলেন, কদমবাড়ি ইউনিয়ন বিটের এসআই ফারুকের সাথে যোগাযোগ করুন। তিনি ভাল বলতে পারবেন। তবে কদমবাড়ি বিটের উপপরিদর্শক (এসআই) ফারুককে একাধিকবার কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।

Comments

comments

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply




উন্নয়ন সহযোগীতায়ঃ- সেভেন ইনফো টেক